1. admin@ajkerbasundhara.com : admin :
সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১২:১৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম
ব্যক্তিস্বার্থের ঊর্ধ্বে জাতীয় স্বার্থকে প্রাধান্য দিতে হবে: নবীন আনসার কর্মকর্তাদের উদ্দেশে মহাপরিচালক জীবননগরের উথলীতে সন্ন্যাসী বাবার দরবার পরিচালনা কমিটির শপথ গ্রহণ কৃষিপণ্য রপ্তানিতে নতুন দুয়ার খুলবে গাজীপুরের গামা সেন্টার একটি বিদ্যালয়, এক স্বপ্নদ্রষ্টার স্মৃতি—শ্রীপুরে শিক্ষানুরাগী শিরিনকে স্মরণ গাজীপুরে সেপটিক ট্যাংকের ওপর কক্ষ, বিস্ফোরণে প্রাণ গেল ভাড়াটিয়ার দামুড়হুদায় অবৈধ দুই ইটভাটা গুঁড়িয়ে দিল প্রশাসন জীবননগর থানা পুলিশের মাদকবিরোধী অভিযান, ৪৬ বোতল এসকাফসহ যুবক আটক ‎‎‎ধামরাইয়ে পুকুর থেকে এক নারীর মরদেহ উদ্ধার সাভারে মেডিকেল অফিসারের বিরুদ্ধে মানববন্ধন‎‎ ‎ যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকার ধামরাইয়ে সমাবেশ ও র‍্যালি‎

রাজস্ব আদায়ে গতি আনতে সংশ্লিষ্টদের মাঠমুখী হওয়ার নির্দেশ দিলেন চসিক মেয়র

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২৬

চট্টগ্রাম নগরীর টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে রাজস্ব আদায় কার্যক্রমে গতি আনতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের আরও সক্রিয়, জবাবদিহিমূলক ও মাঠমুখী হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

বুধবার নগরীর টাইগারপাসস্থ চসিক কার্যালয়ের সভাকক্ষে রাজস্ব বিভাগের সঙ্গে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ নির্দেশনা দেন। 

ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, চট্টগ্রাম দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর এবং বাণিজ্যিক রাজধানী হলেও হোল্ডিং ট্যাক্স, ট্রেড লাইসেন্সসহ বিভিন্ন খাতে রাজস্ব আদায় এখনো সম্ভাবনার তুলনায় অনেক কম। এ অবস্থা পরিবর্তনে সংশ্লিষ্ট সবাইকে দায়িত্বশীলতা ও কর্মদক্ষতা বাড়াতে হবে।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দিয়ে মেয়র বলেন, সরকারি সংস্থাগুলোর কাছেও চসিকের বিপুল পরিমাণ বকেয়া রয়েছে। এসব বকেয়া আদায় না হলে সিটি কর্পোরেশনের আর্থিক সক্ষমতা কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে উন্নীত করা সম্ভব হবে না।

তিনি বলেন, সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছ থেকে বকেয়া আদায়ের জন্য অবিলম্বে অর্থ মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীদের কাছে ডিও লেটার প্রস্তুত করে পাঠাতে হবে। পাশাপাশি বড় বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান, ফাইভ স্টার হোটেল, মার্কেট, গার্মেন্টস কারখানা ও কন্টেইনার ডিপোগুলোর হোল্ডিং ট্যাক্স দ্রুত পুনর্মূল্যায়ন (রি-অ্যাসেসমেন্ট) করতে হবে।

সভায় উপস্থাপিত তথ্যে দেখা যায়, বিপুল পরিমাণ সম্ভাব্য রাজস্ব এখনো আদায়ের বাইরে রয়ে গেছে। ব্যবসায়ীদের মধ্যে কর বিষয়ে সচেতনতার ঘাটতি, কর ফাঁকির প্রবণতা এবং রাজস্ব বিভাগের লজিস্টিক ও জনবল সংকটকে এই অবস্থার প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।

সভায় রাজস্ব বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, ক্যান্টনমেন্ট ও ইপিজেড এলাকায় আইনি জটিলতার কারণে কর আদায়ে কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে। রাজস্ব আদায় বৃদ্ধি করতে সভায় বিভিন্ন কৌশলগত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়। এর মধ্যে রয়েছে- সরকারি বকেয়া আদায়ে ডিও লেটার প্রেরণ, বাণিজ্যিক স্থাপনার পুনর্মূল্যায়ন, ইপিজেড এলাকার করযোগ্যতা যাচাই, বড় করখেলাপিদের তালিকা প্রণয়ন, জনবল সংকট নিরসনে পদায়ন, কর সচেতনতা বৃদ্ধিতে গণমাধ্যম ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রচারণা, নিয়মিত প্রশিক্ষণ এবং কর্মীদের প্রণোদনা প্রদান।

সভায় চসিকের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সচিব মো. আশরাফুল আমিন, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা সরোয়ার কামাল, রাজস্ব কর্মকর্তা মো. সাব্বির রহমান সানি, প্রধান হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির চৌধুরীসহ রাজস্ব বিভাগের অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। 

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
২০২৬ © আজকের বসুন্ধরা কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
Theme Customization By NewsSun