1. admin@ajkerbasundhara.com : admin :
রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:২৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম
জীবননগর সীমান্তে নেশাজাতীয় সিরাপ ও গাঁজা জব্দ টেকসই কৃষি উন্নয়নে এলএসটিডি প্রকল্প: কক্সবাজারের রামুতে ৬৬ কৃষকের মাঝে আধুনিক কৃষি উপকরণ বিতরণ। বিআইডব্লিউটিএ এর আব্দুর রহিমের বিরুদ্ধে সরকারী অর্থ আত্মসাৎ দুর্নীতি ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ চুয়াডাঙ্গার পুলিশ সুপার ও জেলা পরিষদের প্রশাসকের সঙ্গে হিজলগাড়ী প্রেসক্লাবের সৌজন্য সাক্ষাৎ জীবননগরের উথলীতে বিএনপির মতবিনিময় সভা গাজীপুরে হোটেলকর্মীকে মারধর করে টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগ নারীরা স্বাবলম্বী হলে সমাজ ও দেশ এগিয়ে যাবে : ডিসি ফরিদা জীবননগর সীমান্ত দিয়ে ৩ জনকে পুশইনের চেষ্টা, রুখে দিল বিজিবি জীবননগরে ট্রান্সফরমার চুরি মামলার রহস্য উদঘাটন; আন্তঃজেলা চোরচক্রের ০৬(ছয়) সদস্য গ্রেফতার|| বিজ্ঞ আদালতে দোষ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান ‎কাশিমপুর ভূমি অফিসের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সাময়িক বরখাস্ত করলো গাজীপুর জেলা প্রশাসক

কোরবানির গরু কাটতে বিমানে করে ঢাকায় আসবেন সৈয়দপুরের কসাইরা

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশ : শনিবার, ২৩ মে, ২০২৬

আর চার দিন পরেই অনুষ্ঠিত হবে ঈদুল আজহা। পশু জবাইয়ের মাধ্যমে এই ঈদ উদযাপন করেন মুসলমানরা। এই কোরবানিকে কেন্দ্র করে সৈয়দপুরের মাংস ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি নাদিম কোরাইশি (৫৫) রাজধানী ঢাকায় যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

জানা যায়, এলাকায় ‘ছোটু নাদিম’ নামেই বেশি পরিচিত নাদিম। ঈদের আগের দিন ১০ জনের একটি দল নিয়ে বিমানে ঢাকায় যাবেন তিনি। ইতোমধ্যে টিকিটও কাটা হয়ে গেছে। আমাদের বাপ-দাদারাও কোরবানির ঈদে ঢাকায় কাজ করতে যেতেন জানিয়ে ছোটু নাদিম বললেন,‘এখনো মানুষ আমাদের ডাকেন। চামড়া ছাড়ানো থেকে শুরু করে মাংস পিস করা, হাড় আলাদা করা-সব কাজেই দক্ষতা লাগে। ছোটবেলা থেকেই এসব কাজ শিখে বড় হয়েছি আমরা।’

প্রতিবছরের মতো এবারও সৈয়দপুর থেকে শতাধিক কসাই রাজধানীতে ছুটবেন কোরবানির পশু জবাই ও মাংস কাটার কাজে। কেউ যাবেন বাসে, কেউ ট্রেনে, অনেকে আবার বিমানযোগেও যাবেন। ঈদের কয়েকটি দিন ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় বাড়ি বাড়ি গিয়ে গরু বানানোর কাজ শেষ করে তারা নিজ শহর সৈয়দপুরে ফিরবেন। ছোটু নাদিমের মতো এই কসাইদের বড় একটি অংশ বিহারি। বংশপরম্পরায় মাংস ব্যবসা ও কসাইয়ের কাজের সঙ্গে যুক্ত। পশু জবাই ও মাংস কাটায় তাদের আলাদা দক্ষতা আছে। ঢাকায় তাদের আলাদা চাহিদা তৈরি হয়েছে।

ছোটু নাদিম বলেন, কসাইয়ের কাজটিও একধরনের শিল্প। নিখুঁতভাবে পশু জবাই, চামড়া অক্ষত রেখে ছাড়ানো কিংবা সুন্দরভাবে মাংস ভাগ করা- প্রতিটিতেই প্রয়োজন দক্ষতা।

জানা যায়, প্রায় ২০ বছর আগে বাবার হাত ধরে কসাইয়ের কাজে নামেন ছোটু। এরপর থেকে প্রতি ঈদেই ঢাকায় আসছেন। রাজধানীর অভিজাত অনেক পরিবারের বাড়িতে কাজ করেছেন। একসময় ঢাকার সাবেক মেয়র ও মন্ত্রী সাদেক হোসেন খোকার বাসাতেও কোরবানির গরু জবাই করেছেন। 

তাদের থাকার ব্যবস্থাও করে দিতেন খোকা বলে উল্লেখ করেন নাদিম।

এর আগে, ২০২৫ সালে চার সহযোগী নিয়ে ঢাকায় ১২টি গরু জবাই করেছিলেন ছোটু। সব মিলে আয় হয়েছিল প্রায় ২ লাখ টাকা। সহযোগীদের প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা করে দেন তিনি। যাতায়াত খরচও নিজেই বহন করেন।

এবার সদস্য বেড়ে হয়েছে ১০ জন। দলটিকে তিন ভাগে ভাগ করে কাজ করার পরিকল্পনা। অনেক পরিবারই ইতোমধ্যে তাদের বুকিং দিয়ে রেখেছে।

ছোটু নাদিমের মতো সৈয়দপুর পৌর মাংসহাটির কসাই ফজলে রাব্বি, নওশাদ আলী ও খয়রাত হোসেনও যাচ্ছেন পৃথক দল নিয়ে। স্থানীয় ট্রাভেল এজেন্সি থেকে তারা বিমান টিকিটও কিনেছেন।

ফজলে রাব্বি বলেন, ‘ঈদের আগে ঢাকাগামী বিমানে যাত্রী কম থাকে। কারণ, তখন সবাই ঢাকা থেকে সৈয়দপুরে আসেন। তাই বিমান কোম্পানিগুলো ভাড়া কমিয়ে দেয়। আমরা সেই সুযোগটা কাজে লাগাই।’

ঢাকায় মাংস কাটার রেট অনেক বেশি উল্লেখ করে মো. মিন্টু বলেন,‘সবাই পরিবার নিয়ে ঈদ করতে চায়। কিন্তু আমরা বাড়তি টাকার আশায় ঢাকায় যাই। সৈয়দপুরে ১ লাখ টাকা দামের একটি গরু বানিয়ে সর্বোচ্চ ৮ হাজার টাকা পাওয়া যায়। অথচ ঢাকায় একই কাজের জন্য পাওয়া যায় ২০-২৫ হাজার টাকা। একজন অভিজ্ঞ কসাই ঈদের তিন দিনে অন্তত ১০টি গরুর মাংস কাটতে পারেন। ফলে তিন দিনের কাজ শেষে অনেকে ভালো অঙ্কের আয় করে বাড়ি ফেরেন।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
২০২৬ © আজকের বসুন্ধরা কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
Theme Customization By NewsSun