1. admin@ajkerbasundhara.com : admin :
বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৩৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম
সাত দিনের মধ্যে পোশাকশিল্পের মজুরি বোর্ডের গেজেট: শ্রমমন্ত্রী পিংক সাইকেল চালিয়ে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর কিশোরীদের উৎসাহ দিলেন গাজীপুরের ডিসি গাজীপুরে ঝুটের গোডাউনে আগুন, কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের ৪ ইউনিট বিদেশে কর্মসংস্থানে আস্থার সংকট কাটাতে কাজ করছে আনসার-ভিডিপি দামুড়হুদায় নারী সংক্রান্ত বিরোধে একজনকে কুপিয়ে জখম, ঘটনাস্থলে এএসপি-ওসি ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজ: স্পিন সামলানোর প্রস্তুতিতে বাংলাদেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: নোট অব ডিসেন্টে পরিবর্তন চাইলে বৈঠকে আসতে হবে ২৯ অক্টোবর প্রকাশিত হবে ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল নতুন পোশাকে সাজছে পিআইএ: ৩১ অক্টোবর থেকে আকাশপথে যাত্রা চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে কঠোর আইন আসছে, অভিযোগ ছাড়াই ব্যবস্থা নেবে পুলিশ: আইজিপি

স্কুল ফিডিংয়ে গাফিলতি বরদাস্ত করা হবে না: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশ : রবিবার, ২৪ মে, ২০২৬

স্কুল ফিডিং বা মিড-ডে মিল কার্যক্রমে শিশুদের পুষ্টিকর খাদ্যের মান ও সরবরাহের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের গাফিলতি বা অনিয়ম বরদাস্ত করা হবে না বলে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।

তিনি বলেন, ‘শিশুদের পুষ্টি ও ভবিষ্যৎ সুরক্ষার প্রশ্নে সরকার শূন্য সহনশীলতা (জিরো টলারেন্স) নীতি বজায় রাখবে।’

আজ রোববার রাজধানীর প্রাথমিক শিক্ষক প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে স্কুল ফিডিং কর্মসূচির সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান, প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা এবং মাঠপর্যায়ের দায়িত্বপ্রাপ্তদের সঙ্গে আয়োজিত নির্দেশনামূলক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ববি হাজ্জাজ বলেন, ‘এটি কোনো সাধারণ সভা নয়। শিশুদের পুষ্টি, স্বাস্থ্য ও ভবিষ্যৎ সুরক্ষার সঙ্গে জড়িত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি কর্মসূচি। সরকারি কর্মকর্তা হোন কিংবা সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান-সবাইকে সর্বোচ্চ দায়িত্বশীলতা ও সততার সাথে কাজ করতে হবে।’

তিনি জানান, বর্তমানে দেশের ১৫১টি উপজেলায় প্রায় সাড়ে ৫ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে এই বিশাল স্কুল ফিডিং কর্মসূচি বাস্তবায়িত হচ্ছে। এত বড় একটি জনকল্যাণমুখী প্রকল্পে জনগণের প্রত্যাশা পূরণ না হলে তা সরকার ও সংশ্লিষ্ট সকলের জন্য বিব্রতকর হবে।

সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর উদ্দেশ্যে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমান সরকার ব্যবসা ও বিনিয়োগবান্ধব। তবে ব্যবসার নামে শিশুদের খাদ্যের মানের সঙ্গে আপস করার কোনো সুযোগ নেই। যারা সঠিকভাবে শর্ত মেনে দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না, ভবিষ্যতে তারা এই কার্যক্রমে আর যুক্ত থাকতে পারবেন না।’

কর্মসূচিকে আরও স্বচ্ছ ও গতিশীল করতে সভায় প্রতিমন্ত্রী বেশ কিছু নতুন ও কঠোর নির্দেশনা দেন প্রতিমন্ত্রী।

এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- খাদ্য কোথা থেকে আসছে, কীভাবে প্রক্রিয়াজাত হচ্ছে এবং কার মাধ্যমে বিদ্যালয়ে পৌঁছাচ্ছে; তার সম্পূর্ণ ডিজিটাল ও পূর্ণাঙ্গ তথ্য সরকারের কাছে থাকতে হবে। খাদ্যের পুষ্টিগুণ ও গুণগত মান নিশ্চিত করতে বিশেষায়িত টেকনিশিয়ান নিয়োগ করতে হবে; স্থানীয় উৎপাদনকে উৎসাহিত করতে মাঠপর্যায় থেকে খাদ্য সংগ্রহ ও সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে; প্রতিদিন নির্ধারিত সময়ে বিদ্যালয়ে খাদ্য পৌঁছানো এবং মান নিয়ন্ত্রণ জোরদার করতে হবে।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমাদের মূল লক্ষ্য একটাই- শিশুরা যেন সঠিকভাবে পুষ্টিকর খাবার পায়। এজন্য বাস্তবসম্মত সব ধরনের সহযোগিতা সরকার দেবে। তবে দায়িত্বপ্রাপ্তদেরও নিজেদের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে।’

এটিকে একটি পাইলট কর্মসূচি হিসেবে বর্ণনা করে তিনি বলেন, বর্তমানে যে সমস্যাগুলো চিহ্নিত হচ্ছে, সেগুলো সমাধান করেই আগামীতে সারা দেশে আরও বড় পরিসরে এই কর্মসূচি ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

সভায় সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা মাঠপর্যায়ের বিভিন্ন বাস্তব চ্যালেঞ্জ তুলে ধরলে প্রতিমন্ত্রী শিক্ষক, প্রধান শিক্ষক ও স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতা আরও জোরদার করার আশ্বাস দেন।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. সাখাওয়াৎ হোসেনের সভাপতিত্বে সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহীনা ফেরদৌসী, প্রকল্প পরিচালক, উপপরিচালক, জেলা ও উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার এবং সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারেরা।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
২০২৬ © আজকের বসুন্ধরা কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
Theme Customization By NewsSun