1. admin@ajkerbasundhara.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০২:১৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকার ধামরাইয়ে সমাবেশ ও র‍্যালি‎ সাত দিনের মধ্যে পোশাকশিল্পের মজুরি বোর্ডের গেজেট: শ্রমমন্ত্রী পিংক সাইকেল চালিয়ে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর কিশোরীদের উৎসাহ দিলেন গাজীপুরের ডিসি গাজীপুরে ঝুটের গোডাউনে আগুন, কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের ৪ ইউনিট বিদেশে কর্মসংস্থানে আস্থার সংকট কাটাতে কাজ করছে আনসার-ভিডিপি দামুড়হুদায় নারী সংক্রান্ত বিরোধে একজনকে কুপিয়ে জখম, ঘটনাস্থলে এএসপি-ওসি ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজ: স্পিন সামলানোর প্রস্তুতিতে বাংলাদেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: নোট অব ডিসেন্টে পরিবর্তন চাইলে বৈঠকে আসতে হবে ২৯ অক্টোবর প্রকাশিত হবে ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল নতুন পোশাকে সাজছে পিআইএ: ৩১ অক্টোবর থেকে আকাশপথে যাত্রা

হারের পর ‘বিচার’ পেতে আদালতে যেতে চান মমতা

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশ : মঙ্গলবার, ২৬ মে, ২০২৬

বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির জয় এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে ‘স্বীকার’ করেননি সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস সভানেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ফলাফল ঘোষণার পরদিনই তিনি অভিযোগ করেন, গণনাকেন্দ্রে ‘লুটপাটের’ মাধ্যমে অন্তত ১৫০টি আসনে তৃণমূলকে ‘জোর করে’ হারিয়ে দেওয়া হয়েছে।

রোববার (২৪ মে) ফেসবুক লাইভে মমতা ইঙ্গিত দেন, তার দল মামলার পথে যাবে। সেই মামলার প্রস্তুতি শুরু করেছেন তৃণমূলের আইনজীবী সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু তৃণমূলের বিড়ম্বনা বাড়িয়ে দিচ্ছেন অনেক পরাজিত প্রার্থী। নির্বাচনী পিটিশন দায়ের করার প্রক্রিয়ার মধ্যে তারা জড়াতেই চাইছেন না। অর্থাৎ, তৃণমূল ঘুরে দাঁড়াতে আইনের রাস্তায় হাঁটতে চাইলেও, সেই লড়াই থেকে কার্যত পালিয়ে যাচ্ছেন অনেকে। তৃণমূল সূত্রে খবর, এখনও পর্যন্ত সব দিক বিবেচনা করে দেখা যাচ্ছে, ৫০টির বেশি আসন নিয়ে নির্বাচনী পিটিশন দাখিল করার মতো রসদ জোগাড় করা গিয়েছে। কিন্তু বেশ কয়েকটি কেন্দ্রের ক্ষেত্রে আসল জায়গাতেই ফাঁক থেকে যাচ্ছে; যেমন কল্যাণ সরাসরি অভিযোগ করেছেন, প্রাক্তন পরিবহণমন্ত্রী তথা জাঙ্গিপাড়ার পরাজিত তৃণমূল প্রার্থী স্নেহাশিস চক্রবর্তীকে নির্বাচনী পিটিশন দায়ের করার কথা বলা হয়েছিল। কিন্তু তিনি রাজি হননি। কল্যাণ শ্রীরামপুরের সাংসদ। তার লোকসভা কেন্দ্রের মধ্যেই পড়ে জাঙ্গিপাড়া বিধানসভা। স্নেহাশিসের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়ে কল্যাণ বলেন, ‘‘আমার জুনিয়র স্নেহাশিসকে ফোন করেছিলেন। কিন্তু তিনি রাজনীতি থেকে সরে যাওয়ার কথা বলেছেন।’’ কল্যাণ আরও বলেছেন, ‘২০১১ সালের আগে তো জাঙ্গিপাড়ায় কেউ ঢুকতে পারত না। আমি ২০০৯ সালে জেতার পর ২০১১ সালে জিতল, ১৫ বছর ধরে ভোগ করল আর এখন পালিয়ে যাচ্ছে।’’ লোকসভায় তৃণমূলের সংসদীয় দলের মুখ্যসচেতক কল্যাণের আরও বক্তব্য, ‘‘যারা বেশি ভোগ করেছে, তারাই এখন সরে যাচ্ছে।’ নির্বাচনী পিটিশন নিয়ে স্নেহাশিসের অবস্থান জানতে তাকে ফোন করা হয়েছিল। কিন্তু তিনি ফোন ধরেননি। মোবাইলে লিখিত বার্তা পাঠানোর পরে জবাবে তিনি শুধু লেখেন, ‘না’। অর্থাৎ, তিনি এই বিষয়ে কোনও প্রতিক্রিয়া দেবেন না। কল্যাণের পুত্র শীর্ষণ্য বন্দ্যোপাধ্যায়ও পেশায় আইনজীবী। তিনি এ বার উত্তরপাড়া থেকে তৃণমূলের টিকিটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। পরাজিত হলেও রাজনীতিতে টিকে থাকার বার্তা দিচ্ছেন। সূত্রের খবর, নির্বাচনী পিটিশনের বিষয়ে কল্যাণকে সাহায্য করছেন তিনিও। ৪ মে ফলপ্রকাশের পর থেকে নিয়ম করে মমতার বাড়িতে যাওয়া, জেলা থেকে আসা রিপোর্ট একত্রিত করে মামলার প্রস্তুতি গ্রহণ করার ক্ষেত্রেও ভূমিকা নিচ্ছেন শীর্ষণ্য। তৃণমূল সূত্রে খবর, দল মামলার ক্ষেত্রে সব রকম সাহায্য করবে। কিন্তু মামলা দায়েরের ক্ষেত্রে মৌলিক দায়িত্ব প্রার্থীদেরই। তারা সরে গেলে মূল উদ্দেশ্যই সাধিত হবে না। গণনা নিয়ে তৃণমূলের একাধিক অভিযোগ রয়েছে। মমতার পাশাপাশি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও বলেছেন, বহু জায়গায় ইভিএমের সিলে থাকা ১৭-সি ফর্মের নম্বর মেলেনি। ভোটযন্ত্রের চার্জ বেশি থাকা নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়েছে তৃণমূলের তরফে। সে সব নিয়ে যখন মামলার প্রস্তুতি শুরু করেছে তৃণমূল, তখন পিঠটান দিচ্ছেন দিচ্ছেন অনেক প্রার্থীই।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
২০২৬ © আজকের বসুন্ধরা কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
Theme Customization By NewsSun