1. admin@ajkerbasundhara.com : admin :
শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:২৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
মক্কা প্যাক্টে যোগদানের প্রস্তাব পেলে ইতিবাচক বিবেচনা করবে বাংলাদেশ: পররাষ্ট্রমন্ত্রী দেশের ৬৪ জেলায় তদারকির দায়িত্বে ৩০ মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও হুইপ: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রজ্ঞাপন ফৌজদারহাটে জলিল টেক্সটাইলের জমিতে সমরাস্ত্র কারখানা: পাওনা নিয়ে শ্রমিকদের তীব্র বিক্ষোভ জুলিয়ান আলভারেজকে নিয়ে বার্সার সঙ্গে কোনো আলোচনাই করবে না অ্যাতলেতিকো ময়মনসিংহে কাস্টমস কর্মী নিখোঁজ ও মৃত্যুর ঘটনায় দুইজনের স্বীকারোক্তি পুলিশ বাহিনীতে বড় নিয়োগ: ১০ হাজার কনস্টেবলসহ মোট ১৪ হাজার ৪০০ জনবল নেওয়া হবে দক্ষিণ লেবাননে ফের ইসরায়েলি বিমান হামলা, যুদ্ধবিরতি নিয়ে বাড়ছে অনিশ্চয়তা ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনা প্রশমনে তেহরানে কাতারের প্রধানমন্ত্রী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বদলিতে নতুন কড়াকড়ি ও শর্তাবলি জারি নেপাল-তিব্বত সীমান্তে আকস্মিক বন্যায় চোখের সামনে পরিবার হারালেন ব্যবসায়ী

সিরাজগঞ্জে অগ্নিকাণ্ডে প্রায় ৪০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশ : বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬

জেলার কামারখন্দ উপজেলার জামতৈল পূর্ব বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে সাতটি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে প্রায় ৪০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা।

আজ ভোর আনুমানিক ৬টার দিকে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। স্থানীয়দের ধারণা, বিদ্যুতের শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে। মুহূর্তের মধ্যেই আগুন একের পর এক দোকানে ছড়িয়ে পড়ে। এতে ভাতের হোটেল, মিষ্টির দোকান, সেলুন, ইলেকট্রনিকস, মনোহারী ও আসবাবপত্রের দোকানসহ মোট সাতটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পুড়ে যায়।

ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা হলেন, মাটির আসবাবপত্র ব্যবসায়ী লাল মোহন, সেলুন মালিক রতন দাস, মনোহারী দোকানদার রেজাউল করিম, মিষ্টি ব্যবসায়ী চাঁন মিয়া, ভাতের হোটেল মালিক লাল মিয়া, ইলেকট্রনিকস ব্যবসায়ী রিপন এবং মিষ্টি ব্যবসায়ী শাহজাহান।

খবর পেয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা আগুন নেভানোর চেষ্টা শুরু করেন। পরে ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। তবে ততক্ষণে ক্ষতিগ্রস্ত দোকানগুলোর সবকিছু পুড়ে যায়।

ক্ষতিগ্রস্ত ভাতের হোটেল ও মিষ্টির দোকানের মালিক লাল মিয়া বলেন, আমাদের দুটি দোকান ছিল। প্রায় ১৮ থেকে ২০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। ফ্যান, চাল, মিষ্টিসহ সবকিছু আগুনে পুড়ে গেছে। এখন আমরা সরকারি সহযোগিতা চাই। সরকারি সহযোগিতা ছাড়া ঘুরে দাঁড়ানো সম্ভব নয়। 

ইলেকট্রনিকস ব্যবসায়ী রিপন জানান, তার দোকানে কয়েক লাখ টাকার বৈদ্যুতিক পণ্য ছিল, যা আগুনে সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে গেছে।

মনোহারী ও বিকাশ ব্যবসায়ী রেজাউল করিম বলেন, ‘বিকাশের টাকা, কার্ড ও দোকানের সব মালামাল পুড়ে গেছে। আমার প্রায় ৫ থেকে ৭ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। সব মিলিয়ে সাতটি দোকানে ৪০ লাখ টাকার বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।’

সেলুন ও আসবাবপত্র ব্যবসায়ী লাল মোহন বলেন, আমার প্রায় ৬ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। আমরা নিম্ম আয়ের মানুষ, আমাদের সব শেষ হয়ে গেছে।

এ বিষয়ে কামারখন্দ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ওয়্যারহাউজ ইন্সপেক্টর ফরিদ উদ্দিন বলেন, খবর পাওয়ার পর দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে এক ঘণ্টারও বেশি সময় চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত পরিমাণ তদন্ত শেষে নির্ধারণ করা হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
২০২৬ © আজকের বসুন্ধরা কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
Theme Customization By NewsSun