প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ফ্যামিলি কার্ড পেয়েছেন গোপালগঞ্জের ১২৬ নারী।
গতকাল বুধবার (১৭ জুন) বিকেলে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল থেকে ভার্চুয়াল প্লাটফর্মে যুক্ত হয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান একযোগে গোপালগঞ্জসহ ২০ জেলায় ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের উদ্বোধন করেন।
এ উপলক্ষে গোপালগঞ্জ পৌরসভা মিলনায়তনে জেলা প্রশাসন ও সমাজসেবা জেলা কার্যালয় আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন ডা. কে এম বাবর এমপি।
গোপালগঞ্জের জেলা প্রশাসক মো. আরিফ-উজ-জামানের সভাপতিত্বে শহর সমাজসেবা কার্যালয়ের সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. আল আমিন মোল্লার অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন।
এ অনুষ্ঠান থেকে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার সাহাপুর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের ১২৬ জন নারীর হাতে ফ্যামিলি কার্ড তুলে দেন প্রধান অতিথি ডা. কে এম বাবর এমপিসহ অন্যান্য অতিথিরা।
গোপালগঞ্জের পুলিশ সুপার মো. হাবীবুল্লাহ, জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির আহ্বায়ক শরীফ রফিকউজ্জামান, গোপালগঞ্জের সিভিল সার্জন ডা. আবু সাইদ মো. ফারুক, জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. জীবিতেষ বিশ্বাস, জেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা অসিত কুমার সাহা, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কৌশিক আহমেদ, গোপালগঞ্জ সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি সিকদার শহিদুল ইসলাম লেলিন, সাধারণ সম্পাদক ফজলুল কবির দারা, বিএনপি নেতা আজিজুর রহমান বোনো, জেলা যুবদলের সভাপতি রিয়াজ উদ্দিন লিপ্টনসহ বিভিন্ন দপ্তরের পদস্থ কর্মকর্তা ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
ফ্যামিলি কার্ড প্রাপ্ত অনামিকা সরকার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, ‘এ টাকা দিয়ে আয় বৃদ্ধি করার জন্য আমি হাঁস, মুরগি পালন করবো। এতে আমার সংসারে বিকল্প আয়ের ব্যবস্থা হবে। পাশাপাশি এ টাকা দিয়ে আমি সংসারের খাদ্য ও ওষুধ কিনতে পারবো। ফ্যামিলি কার্ড আমার বিপদের সাথি।
ডা. কে এম বাবর বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী গোপালগঞ্জকে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় এনেছেন। সাহাপুর ইউনিয়নের মানুষ শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ধানের শীষ প্রতীকে সবচেয়ে বেশি ভোট দিয়ে আমাকে এমপি নির্বাচিত করেছেন। তাই প্রথম তাদের ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় এনেছি। পর্যায়ক্রমে সব ইউনিয়নে এটি চালু করা হবে।