1. admin@ajkerbasundhara.com : admin :
বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০৪:৫৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম
হরমুজ, মালাক্কাসহ গুরুত্বপূর্ণ প্রণালীগুলো শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার কেন্দ্র ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন ও ভাষা সংরক্ষণে কাজ করছে সরকার : ডেপুটি স্পিকার স্থায়ী বাঁধ নির্মাণে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা গঙ্গাচড়াবাসীর রাঙ্গামাটিতে বন্যাদুর্গত প্রতিবন্ধী পরিবারের মাঝে খাদ্যশস্য বিতরণ উত্তর আমেরিকায় বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখেছেন ৬ কোটিরও বেশি দর্শক পিঁপড়া দিয়ে তৈরি শরবত পরিবেশন: দক্ষিণ কোরিয়ার রেস্তোরাঁ মালিকের কারাদণ্ডের ঝুঁকি ২০২৬-২৭ করবর্ষের ই-রিটার্ন সেবা চালু, জুলাই-সেপ্টেম্বরে রিটার্ন দিলে ৫ শতাংশ প্রণোদনা ১৫৫ বছরে রাজশাহী এসোসিয়েশন, ইতিহাস-ঐতিহ্য সংরক্ষণের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দের সাক্ষাৎ বাগেরহাটে শিশুদের নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিতে সংবাদ সম্মেলন

তিস্তার ভাঙন থেকে সুন্দরগঞ্জ বাঁচাতে স্থায়ী সমাধান চান এলাকাবাসী

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশ : রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬

সাম্প্রতিক সময়ে জেলার অন্যতম শক্তিশালী নদী তিস্তার গ্রাসে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার বসতবাড়িসহ আবাদি জমি বিলীন হয়ে যাচ্ছে। এ অবস্থায় নদী ভাঙন রোধে স্থায়ী সমাধানের আহ্বান জানিয়েছে এলাকাবাসী। 

এ ব্যাপারে এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড (বিডব্লিউডিবি) কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন পেশ করা হয়েছে বলেও জানিয়েছে উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয় সরকার প্রতিনিধিরা। 

স্থানীয় সূত্র জানায়, উজানের পাহাড়ি পানির ঢল এবং অবিরাম বৃষ্টির কারণে সাম্প্রতিক দিনগুলোতে তিস্তা নদীর পানিস্তর বেড়েছে। বেড়েছে স্রোতও। নদীর ভাঙনে বিলীন হয়ে যাচ্ছে বসতবাড়ি, আবাদি জমি এবং রাস্তাঘাট। 

সরেজমিনে দেখা যায়, নদীর পানিস্তর বাড়ার ফলে গত কয়েক সপ্তাহে জেলার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার তারাপুর, হরিপুর, বেলকা, চ-ীপুর, শ্রীপুর এবং কাপাসিয়া ইউনিয়নের অনেক জায়গায় নদী ভাঙন মারাত্মক রূপ নিয়েছে।

উপজেলার তারাপুর, বেলকা, হরিপুর, কাপাসিয়া ও শ্রীপুর ইউনিয়নের প্রায় ৩০০টি বসতবাড়ি এবং ২০০০ হেক্টরেরও বেশি আবাদি জমি ইতোমধ্যেই নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাওয়ায় নদী ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্তদের অবর্ণনীয় দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

নদী ভাঙনের শিকার অনেকেই নিকটবর্তী রাস্তা ও বাঁধের উপর আশ্রয় নিয়ে সেখানে অস্থায়ী ঘরবাড়ি তৈরি করেছেন। খাদ্য ও কর্মসংস্থানের অভাবে তারা অমানবিক জীবনযাপন করছেন।

নদীর তীরে বসবাসকারী মানুষজন তাদের বসতবাড়িগুলো কখন নদীতে ভেসে যাবে সেই উদ্বেগ ও দুশ্চিন্তায় দিন কাটাচ্ছেন।

সুন্দরগঞ্জের কাপাসিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মঞ্জু মিয়া বলেন, ইউনিয়নের নদী তীরবর্তী মানুষজন আতঙ্ক ও দুশ্চিন্তায় আছেন। নদীভাঙনের ভয়ে তারা রাতে ঘুমাতেও পারছেন না।

মঞ্জু মিয়া জানান, এলাকাবাসীর অনুরোধে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড (বিডব্লিউডিবি) উপজেলার ঝুঁকিপূর্ণ স্থানগুলোতে অস্থায়ী ভিত্তিতে জিও-টেক্সটাইল বালির বস্তা ফেলে নদী ভাঙন রোধের চেষ্টা করে। কিন্তু এই উদ্যোগের ফলে ভাঙন স্থায়ীভাবে রোধ করা সম্ভব হয়নি।

তিনি বলেন, এ এলাকার জনগণ নদী ভাঙন রোধে স্থায়ী সমাধান চায়। পরিস্থিতি বিবেচনায় নদী ভাঙন থেকে বসতবাড়ি ও আবাদি জমি রক্ষায় স্থায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিডব্লিউডিবি কর্মকর্তাদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।

সুন্দরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইফফাত জাহান তুলি বলেন, সাম্প্রতিক দিনগুলোতে উপজেলার ভাঙন কবলিতদের মধ্যে শুকনো খাবারের প্যাকেট বিতরণ করা হয়েছে।

তিনি জানান, উপজেলার ভাঙন দুর্গত জনগণের পক্ষ থেকে বিডব্লিউডিবির উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ স্থানগুলোতে নদী ভাঙন স্থায়ীভাবে বন্ধ করতে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হবে। 

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
২০২৬ © আজকের বসুন্ধরা কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
Theme Customization By NewsSun