২৭তম বিসিএস (২০০৫) পরীক্ষার প্রথম ধাপের ভাইভা ফলাফলের ভিত্তিতে সুপারিশপ্রাপ্ত এবং ১ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে যোগদানকারী কর্মকর্তাদের বেতন নির্ধারণ, পদসমতা, চাকরির ধারাবাহিকতা, বেতন সংরক্ষণ ও অন্যান্য আর্থিক সুবিধা সংক্রান্ত বিষয়ে স্পষ্টীকরণ দিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ।
অর্থ বিভাগের বাস্তবায়ন-৮ শাখা থেকে জারি করা এক পত্রে গত মঙ্গলবার এটি জানানো হয়েছে।
এ সংক্রান্ত স্পষ্টীকরণপত্রে স্বাক্ষর করেছেন অর্থ বিভাগের সিনিয়র সহকারী সচিব মো. মুসফিকুল আলম হালিম।
পত্রে বলা হয়েছে, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখের প্রজ্ঞাপনের আলোকে নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের বেতন নির্ধারণের ক্ষেত্রে বিশেষ বিধান অনুসরণ করা হবে।
স্পষ্টীকরণে বলা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের জন্য ৩০ জুন ২০০৯ পর্যন্ত জাতীয় বেতনস্কেল-২০০৫, ১ জুলাই ২০০৯ থেকে ৩০ জুন ২০১৫ পর্যন্ত জাতীয় বেতনস্কেল-২০০৯ ও ১ জুলাই ২০১৫ থেকে জাতীয় বেতনস্কেল-২০১৫ বিবেচনায় নিয়ে বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট গণনা করতে হবে।
এ ক্ষেত্রে ৩০ নভেম্বর, ২০০৮ তারিখ অথবা জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় নির্ধারিত সমতুল্য তারিখ থেকে ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত সময়কে ইনক্রিমেন্ট গণনার ভিত্তি হিসেবে ধরে নবম গ্রেডে মূল বেতন নির্ধারণ করা যাবে।
তবে অর্থ বিভাগ স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, এই ইনক্রিমেন্ট গণনা শুধুমাত্র ১ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে যোগদানের সময় মূল বেতন নির্ধারণের উদ্দেশ্যে প্রযোজ্য হবে।
কর্মকর্তারা তাদের প্রকৃত যোগদানের পূর্ববর্তী সময়ের জন্য কোনো বকেয়া বেতন বা আর্থিক সুবিধা দাবি করতে পারবেন না।
এছাড়া, ৩০ নভেম্বর ২০০৮ সালের পূর্বে যারা ক্যাডার, নন-ক্যাডার বা অন্য কোনো সরকারি চাকরিতে কর্মরত ছিলেন, তাদের ক্ষেত্রে বিদ্যমান বিধি অনুযায়ী বেতন সংরক্ষণের সুযোগ থাকলে, তা বিবেচনা করে বেতন নির্ধারণ করা হবে।
চাকরির ধারাবাহিকতা ও যোগ্যতা সংরক্ষণের বিষয়ে অর্থ বিভাগ জানিয়েছে, ১ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে যোগদানের আগে যদি কোনো কর্মকর্তা সংশ্লিষ্ট ক্যাডারে স্থায়ীকরণের পূর্বশর্ত পূরণ করে থাকেন এবং একই ক্যাডারে পুনরায় যোগদান করেন, তাহলে তার অর্জিত যোগ্যতা সংরক্ষণ করা যেতে পারে।
পদসমতার বিষয়ে অর্থ বিভাগ জানিয়েছে, এ বিষয়ে বিদ্যমান আইন, বিধি ও পদসোপান কাঠামোর আলোকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।
পত্রে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখের নিয়োগ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন এবং এ বিষয়ে পরবর্তীকালে জারি করা অন্যান্য নির্দেশনার শর্তাবলি যথাযথভাবে অনুসরণ করতে হবে।