1. admin@ajkerbasundhara.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৪৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
এমআরপি যুগের ইতি: ডিসেম্বরের মধ্যে শতভাগ ই-পাসপোর্ট সেবার লক্ষ্য সরকারের গভীর সমুদ্রে নতুন এলএনজি টার্মিনাল ও ২৬ ব্লকে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানের উদ্যোগ উন্নয়ন প্রকল্পের ব্যয় ও মেয়াদ বৃদ্ধি রোধে কঠোর অবস্থানে সরকার মায়ের চেয়ে আপন কেউ নেই, মায়ের জন্য দোয়া চাইলেন কৃষিমন্ত্রী আমিন উর রশিদ ইয়াছিন আয়কর রিটার্নে ভুল মানেই কর ফাঁকি নয়: জরিমানা আরোপে এনবিআরের নতুন নির্দেশনা দুই সরকারি প্রতিষ্ঠানে ৮৪ জনকে নিয়োগের জন্য পিএসসির সাময়িক মনোনয়ন নির্ঘুম রাতের কাব্যময় মুহূর্ত: এক দীর্ঘ কবিতার মুগ্ধতা ও ক্লান্তি শাহজালাল বিমানবন্দরে গার্মেন্টস ফেব্রিকের আড়ালে ১,৬৫৫টি দামি মোবাইল জব্দ পরিবেশদূষণ রোধে কঠোর অবস্থানের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর: পলিথিন ও প্লাস্টিক ব্যবহারে জিরো টলারেন্স মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের জেরে ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার ছাড়াল ব্রেন্ট ক্রুড অয়েলের দাম

ময়মনসিংহে হত্যা মামলায় ২ সহোদরের মৃত্যুদণ্ড

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই, ২০২৬

ময়মনসিংহে দশম শ্রেণি পড়ুয়া ছাত্রকে সৈকত হাসান আকাশ (১৫) হত্যা মামলায় দুই সহোদরকে আজ মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন জেলার একটি আদালত। একই সঙ্গে তাদের প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। 

এছাড়া আরও দু’জনকে ৭ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড এবং তাদের প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে ৬ মাসের কারাদণ্ড দেয়া হয়।

বৃহস্পতিবার দুপুরে ময়মনসিংহের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ (ভারপ্রাপ্ত) মো. সামছুদ্দিন এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্তরা হলেন- নাজমুল হক (২৬) ও এনামুল হক। এ মামলায় তাদের বাবা জিয়াউল হক (৫৭) এবং চাচা জুলহাস উদ্দিনকে (৩৭) ৭ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দেন আদালত। আসামিরা ময়মনসিংহ সদর উপজেলার ভূগলী নয়াপাড়া গ্রামের বাসিন্দা।

এরমধ্যে জিয়াউল হক, জুলহাস উদ্দিন ও নাজমুল হকের উপস্থিতিতে আজ আদালত রায় ঘোষণা করলেও অপর আসামি এনামুল হক পলাতক রয়েছে। আদালতে রাষ্ট্রপক্ষেও আইনজীবী ছিলেন সহকারি পাবলিক প্রসিকিউটর মো. আবু হানিফ খান এবং আসামী পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মো. রফিকুল ইসলাম খান।

আদালত সূত্রে জানা যায়, সদর উপজেলার অষ্টধার উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শিক্ষার্থী সৈকত হাসান আকাশের সঙ্গে স্থানীয় ইউপি সদস্য জিয়াউল হকের মেয়ের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল। বিষয়টি জানাজানি হলে মেয়েটির পরিবার এ সম্পর্ক কোনোভাবেই মানতে পারেনি। এরপর ২০২১ সালের ১৯ মে রাতে মেয়েটিকে দিয়ে সৈকত

হাসানকে ডেকে নিয়ে গলাকেটে হত্যার পর মৃতদেহ মাটিচাপা দেওয়া হয়। পরে ২১ মে মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় নিহতের বাবা মো. আকরাম হোসেন বাদি হয়ে ২২ মে কোতয়ালি মডেল থানায় ১৪ জনের নামে হত্যা মামলা দায়ের করে। পুলিশ তদন্ত শেষে ২০২২ সালের ১৪ জানুয়ারি ৪ জনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। ওই মামলার দীর্ঘ শুনানি শেষে আদালত এই রায় ঘোষনা করেন।

ময়মনসিংহ আদালত পরিদর্শক পীরজাদা মোস্তাছিনুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বাসস’কে বলেন, রায় ঘোষণার পর কড়া নিরাপত্তার মধ্যদিয়ে আসামিদের কারাগারে পাঠানো হয়।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
২০২৬ © আজকের বসুন্ধরা কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
Theme Customization By NewsSun