1. admin@ajkerbasundhara.com : admin :
শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ০২:১৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
কারারক্ষীর বিরুদ্ধে অর্থ আদায়ের অভিযোগ: তদন্তে সাক্ষ্য-প্রমাণসহ উপস্থিত থাকতে অভিযোগকারীকে নোটিশ গোপালগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় যুবক নিহত ভিয়েতনামে প্রথমবারের মতো ‘বিটিফিকেশন’ অনুষ্ঠান সম্পন্ন দিনাজপুরে কারেন্ট জাল জব্দ করে ধ্বংস করেছে প্রশাসন হাম সন্দেহে আরও ৫ জনের মৃত্যু এমন জনকল্যাণমুখী ও জীবনঘনিষ্ঠ বাজেট আর কখনও হয়নি: চিফ হুইপ  রিজার্ভ চুরি মামলার প্রতিবেদন দাখিল ৯ আগস্ট শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কারই হবে স্বনির্ভর বাংলাদেশের মৌলিক ভিত্তি: মাহ্দী আমিন প্রাথমিকের ৩২ হাজার প্রধান শিক্ষক নিয়োগের জটিলতা নিরসন দারিদ্র্যের কশাঘাতে ভোলার উপকূলীয় শিশুর শিক্ষাজীবন সংকটে

ময়মনসিংহে হত্যা মামলায় ২ সহোদরের মৃত্যুদণ্ড

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই, ২০২৬

ময়মনসিংহে দশম শ্রেণি পড়ুয়া ছাত্রকে সৈকত হাসান আকাশ (১৫) হত্যা মামলায় দুই সহোদরকে আজ মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন জেলার একটি আদালত। একই সঙ্গে তাদের প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। 

এছাড়া আরও দু’জনকে ৭ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড এবং তাদের প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে ৬ মাসের কারাদণ্ড দেয়া হয়।

বৃহস্পতিবার দুপুরে ময়মনসিংহের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ (ভারপ্রাপ্ত) মো. সামছুদ্দিন এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্তরা হলেন- নাজমুল হক (২৬) ও এনামুল হক। এ মামলায় তাদের বাবা জিয়াউল হক (৫৭) এবং চাচা জুলহাস উদ্দিনকে (৩৭) ৭ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দেন আদালত। আসামিরা ময়মনসিংহ সদর উপজেলার ভূগলী নয়াপাড়া গ্রামের বাসিন্দা।

এরমধ্যে জিয়াউল হক, জুলহাস উদ্দিন ও নাজমুল হকের উপস্থিতিতে আজ আদালত রায় ঘোষণা করলেও অপর আসামি এনামুল হক পলাতক রয়েছে। আদালতে রাষ্ট্রপক্ষেও আইনজীবী ছিলেন সহকারি পাবলিক প্রসিকিউটর মো. আবু হানিফ খান এবং আসামী পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মো. রফিকুল ইসলাম খান।

আদালত সূত্রে জানা যায়, সদর উপজেলার অষ্টধার উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শিক্ষার্থী সৈকত হাসান আকাশের সঙ্গে স্থানীয় ইউপি সদস্য জিয়াউল হকের মেয়ের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল। বিষয়টি জানাজানি হলে মেয়েটির পরিবার এ সম্পর্ক কোনোভাবেই মানতে পারেনি। এরপর ২০২১ সালের ১৯ মে রাতে মেয়েটিকে দিয়ে সৈকত

হাসানকে ডেকে নিয়ে গলাকেটে হত্যার পর মৃতদেহ মাটিচাপা দেওয়া হয়। পরে ২১ মে মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় নিহতের বাবা মো. আকরাম হোসেন বাদি হয়ে ২২ মে কোতয়ালি মডেল থানায় ১৪ জনের নামে হত্যা মামলা দায়ের করে। পুলিশ তদন্ত শেষে ২০২২ সালের ১৪ জানুয়ারি ৪ জনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। ওই মামলার দীর্ঘ শুনানি শেষে আদালত এই রায় ঘোষনা করেন।

ময়মনসিংহ আদালত পরিদর্শক পীরজাদা মোস্তাছিনুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বাসস’কে বলেন, রায় ঘোষণার পর কড়া নিরাপত্তার মধ্যদিয়ে আসামিদের কারাগারে পাঠানো হয়।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
২০২৬ © আজকের বসুন্ধরা কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
Theme Customization By NewsSun