বৃহত্তর যশোর অঞ্চলের বাসিন্দাদের দীর্ঘদিনের দাবির প্রেক্ষিতে ঢাকা-যশোর রুটে পুনরায় বাণিজ্যিক ফ্লাইট চালুর ঘোষণা দিয়েছে বেসরকারি বিমান সংস্থা ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স। আগামী ৯ সেপ্টেম্বর থেকে এই রুটে নিয়মিত ফ্লাইট পরিচালনা শুরু হবে। ২৫ আগস্ট এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষ। ২০১৪ সালের ১৭ জুলাই এই রুটে ফ্লাইট পরিচালনার মাধ্যমেই ইউএস-বাংলার যাত্রা শুরু হয়েছিল, যা এখন আবারও নতুন করে শুরু হতে যাচ্ছে।
নতুন সময়সূচি অনুযায়ী, সপ্তাহে তিন দিন—শনিবার, বুধবার ও বৃহস্পতিবার—ঢাকা ও যশোরের মধ্যে মোট ছয়টি ফ্লাইট পরিচালিত হবে। যাতায়াতের জন্য সংস্থাটি তাদের ৭২ আসনের এটিআর ৭২-৬০০ মডেলের উড়োজাহাজ ব্যবহার করবে। প্রথম ফ্লাইটটি সকাল ৯টা ৩০ মিনিটে ঢাকা থেকে ছেড়ে ১০টা ১৫ মিনিটে যশোরে পৌঁছাবে এবং ১০টা ৪৫ মিনিটে যশোর থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হয়ে ১১টা ৩০ মিনিটে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করবে। এছাড়া দিনের দ্বিতীয় ফ্লাইটটি বিকেল ৪টা ৪৫ মিনিটে ঢাকা থেকে ছেড়ে ৫টা ৩০ মিনিটে যশোরে পৌঁছাবে এবং সন্ধ্যা ৬টায় যশোর থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে যাত্রা করে সন্ধ্যা ৬টা ৪৫ মিনিটে পৌঁছাবে।
ভাড়ার বিষয়ে এয়ারলাইন্সটি জানিয়েছে, ঢাকা-যশোর রুটে ওয়ান-ওয়ে সর্বনিম্ন ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ হাজার ৭৪৯ টাকা এবং রিটার্ন টিকিটের সর্বনিম্ন ভাড়া ১১ হাজার ৪৯৮ টাকা। নির্ধারিত এই ভাড়ার সঙ্গে প্রযোজ্য ট্যাক্স ও সারচার্জ যুক্ত থাকবে। মূলত ব্যবসা-বাণিজ্য, চিকিৎসা, শিক্ষা ও পর্যটনসহ বৃহত্তর যশোর অঞ্চলের মানুষের যাতায়াতের প্রয়োজনীয়তা বিবেচনা করেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আকাশপথে সরাসরি যোগাযোগ ব্যবস্থা পুনরায় চালু হওয়ায় দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের যাত্রীদের সময় সাশ্রয় হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বর্তমানে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স ঢাকা থেকে কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, সিলেট, সৈয়দপুর ও রাজশাহীর মতো গুরুত্বপূর্ণ অভ্যন্তরীণ গন্তব্যে নিয়মিত ফ্লাইট পরিচালনা করছে। যশোর রুটে পুনরায় ফ্লাইট চালুর বিষয়ে সংস্থাটি জানিয়েছে, যাত্রীদের চাহিদা ও বাজার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে ভবিষ্যতে এই রুটে ফ্লাইটের সংখ্যা বাড়ানোর বিষয়টিও সক্রিয়ভাবে বিবেচনা করা হবে। এর মাধ্যমে ভবিষ্যতে আকাশপথে যোগাযোগ আরও সম্প্রসারিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: মঙ্গলবার ২৫ আগস্ট এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: বিশেষ করে দ্রুত সময়ে রাজধানী ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মধ্যে যোগাযোগের সুযোগ তৈরি হওয়ায় যাত্রীদের জন্য এটি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।