1. admin@ajkerbasundhara.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:০৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম
ইইউভুক্ত ৭ দেশের রাষ্ট্রদূতের সাথে রাষ্ট্রপতির সৌজন্য সাক্ষাৎ এলপিজি নির্ধারিত দামে বিক্রির নির্দেশ, অমান্য করলে কড়া ব্যবস্থা ইন্দোনেশিয়ার কাছে অসহায় বাংলাদেশ: বিরতির আগেই হজম ৬ গোল আমাদের ৫টি মিনিট সময় দিন, আশুলিয়ার মাদ্রাসা রক্ষায় প্রধানমন্ত্রীর কাছে ট্রাস্ট পরিবারের আরজি বরিশাল নগরীতে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষিকার মৃত্যুতে চাঞ্চল্য বাংলাদেশ সিরিজের জন্য আফগানিস্তানের দল ঘোষণা: নেতৃত্বে রহমত শাহ পাবনার শরৎনগর পশুর হাট: গ্রামীণ অর্থনীতির প্রাণকেন্দ্র সংসদ সদস্য ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টির পদত্যাগ: আসন শূন্য ঘোষণা ক্যালিফোর্নিয়ায় আবাসিক এলাকায় ছোট বিমান বিধ্বস্ত, নিহত ৪ কাতারে ৩০ সেপ্টেম্বরের চাকরির খবর ও কিছু জরুরি সতর্কতা

এলপিজি নির্ধারিত দামে বিক্রির নির্দেশ, অমান্য করলে কড়া ব্যবস্থা

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০২৬

খুচরা বাজারে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) অযৌক্তিক দাম বৃদ্ধি ও অস্থিরতা রোধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে খাত সংশ্লিষ্টরা। বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) বেঁধে দেওয়া সরকারি মূল্যে এলপিজি বিক্রি নিশ্চিত করতে পরিবেশক, ডিলার, খুচরা বিক্রেতা ও সদস্য কোম্পানিগুলোকে নির্দেশ দিয়েছে এলপিজি অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (এলওএবি)। নির্ধারিত নিয়মের বাইরে গিয়ে কেউ অতিরিক্ত দাম নিলে কিংবা অবৈধভাবে সিলিন্ডার মজুত করলে দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কিন্তু, প্রকৃত চিত্র একেবারে ভিন্ন।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) এলওএবি সভাপতি মোহাম্মদ আমিরুল হক স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ সতর্কবার্তা দেওয়া হয়। সংগঠনটি স্পষ্ট করে জানিয়েছে, বাজারে এলপিজির কোনো ঘাটতি নেই। সবশেষ হিসাব অনুযায়ী, সদ্য সমাপ্ত সেপ্টেম্বর মাসে দেশে ১ লাখ ৫৬ হাজার মেট্রিক টন এলপিজি আমদানি করা হয়েছে। এর আগের মাস আগস্টে আমদানির পরিমাণ ছিল ১ লাখ ৫৮ হাজার মেট্রিক টন। ফলে চাহিদা অনুযায়ী দেশের বাজারে গ্যাসের পর্যাপ্ত সরবরাহ রয়েছে এবং কৃত্রিম সংকট তৈরির কোনো বাস্তব ভিত্তি নেই।

এর আগে গত ২৮ সেপ্টেম্বর বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সরকারের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রীর উপস্থিতিতে একটি মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। মন্ত্রণালয় ও এলওএবি নেতাদের ওই বৈঠকে দেশের সামগ্রিক এলপিজি সরবরাহ পরিস্থিতি ও বাজার নিয়ন্ত্রণে রাখার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এরপর গত ৩০ সেপ্টেম্বর জ্বালানি মন্ত্রী জেলা প্রশাসকদের সঙ্গে এক ভার্চুয়াল বৈঠকে সারা দেশে এলপিজির বাজার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে তদারকি বা মনিটর করার জন্য কঠোর নির্দেশনা দেন।

বিজ্ঞপ্তিতে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলা হয়, পর্যাপ্ত যোগান থাকার পরেও যদি কোনো বিক্রেতা বা ডিলার সরকারি মূল্যের চেয়ে বেশি দাম নেন, তবে তা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। সাধারণ গ্রাহকদের স্বার্থ রক্ষা ও বাজার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রশাসনিক কর্তৃপক্ষ এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোর সঙ্গে এলওএবি সার্বক্ষণিক যোগাযোগ ও সহযোগিতা বজায় রাখবে বলে জানানো হয়েছে।

দীর্ঘদিন ধরেই সরকারের বেঁধে দেওয়া দাম উপেক্ষা করে খুচরা পর্যায়ে বেশি দামে গ্যাস বিক্রির অভিযোগ রয়েছে। বিক্রেতারা সাধারণত দাবি করেন, ডিলারদের কাছ থেকে বেশি দামে সিলিন্ডার কিনতে বাধ্য হওয়ার কারণেই তারা নির্ধারিত মূল্যে তা বিক্রি করতে পারেন না। সম্প্রতি এই পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে। বর্তমানে প্রতি ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের সরকারি দর ১ হাজার ৫৮৫ টাকা নির্ধারিত থাকলেও মাঠপর্যায়ে সরবরাহ সংকটের অজুহাতে ভোক্তাদের কাছ থেকে ২১০০ থেকে ২৬০০ টাকা পর্যন্ত আদায় করা হচ্ছে।

ফলশ্রুতিতে সাধারণ ক্রেতারা প্রতিটি সিলিন্ডারে ৫০০ থেকে ১০০০ টাকা পর্যন্ত বাড়তি খরচ করতে বাধ্য হচ্ছেন। কৃত্রিম উপায়ে বাজার অস্থিতিশীল করার এই প্রবণতা বন্ধে এবার মাঠপর্যায়ে কঠোর প্রশাসনিক অভিযান পরিচালনার প্রস্তুতি নিচ্ছে সরকার।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
২০২৬ © আজকের বসুন্ধরা কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
Theme Customization By NewsSun