1. admin@ajkerbasundhara.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৩২ অপরাহ্ন
শিরোনাম
ব্রুকলিনে স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস গড়তে ৪ হাজার ডলারের অনুদান শাহজালাল বিমানবন্দরে যাত্রী দুর্ভোগ: উত্তরণে করণীয় ও দাবি কাতারে পর্যটনের নতুন রেকর্ড বাংলাদেশে প্রথম সফরে এসে প্রতারণার শিকার জার্মান পর্যটক হুতিদের অব্যাহত হামলায় রিয়াদ বিমানবন্দরে ফ্লাইট বিপর্যয় কাগজে নয়, মানুষের মতামতে হোক ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মহাপরিকল্পনা: এমপি শ্যামল নিয়োগের পদায়ন দাবিতে শিক্ষকদের কঠোর আন্দোলনের ঘোষণা ঘরেই তৈরি করুন সুস্বাদু সাবুদানার লাড্ডু কর্তৃত্ববাদী নয়, কর্মকর্তাদের সেবক হতে হবে: জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশে প্রযুক্তি খাতের উন্নয়নে আগ্রহী মার্কিন টেক জায়ান্টরা

শাহজালাল বিমানবন্দরে যাত্রী দুর্ভোগ: উত্তরণে করণীয় ও দাবি

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৬

দেশের প্রধান প্রবেশদ্বার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যাত্রীসেবার মান নিয়ে দীর্ঘদিনের অভিযোগ রয়েছে। বিশেষ করে লাগেজ পেতে অনাকাঙ্ক্ষিত বিলম্ব, মূল্যবান মালামাল হারানো বা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার মতো ঘটনা নিয়মিত ঘটছে। এর বাইরে যানজট, অস্পষ্ট নিয়মকানুন, কর্মী ও সংশ্লিষ্টদের অসৌজন্যমূলক আচরণ এবং সহায়তার অভাব প্রবাসীদের পাশাপাশি বয়স্ক ও বিদেশি যাত্রীদের জন্য চরম ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই পরিস্থিতিতে বিমানবন্দরের যাত্রীসেবা উন্নত করতে কার্যকর ও দীর্ঘমেয়াদী পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি ক্রমেই জোরালো হচ্ছে।

যাত্রীরা টিকিট কাটার সময় নিয়মিত বিমানবন্দর ফি প্রদান করেন এবং সব নিয়মকানুন মেনে চলেন। পরিবর্তে দক্ষ সেবা, সঠিক তথ্যপ্রাপ্তি ও সম্মানজনক আচরণ পাওয়ার দাবি রাখা তাদের অধিকার। অথচ বিমানবন্দরের টার্মিনালে প্রবেশ থেকে বের হওয়া পর্যন্ত প্রতিটি ধাপে তাদের মৌলিক চাহিদাগুলো পূরণ হচ্ছে না। অতিরিক্ত যাত্রীচাপকে বিলম্বের অজুহাত হিসেবে দেখার সুযোগ নেই; বরং বিমান অবতরণের আগেই গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং কর্মীদের তৎপরতা এবং সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় বাড়ানো জরুরি। লিখিত নির্দেশনা থাকলেও শিফট অনুযায়ী এর কঠোর প্রয়োগ নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি।

বিমানবন্দরের প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনায় বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ, এয়ারলাইনস, কাস্টমস, ইমিগ্রেশন ও নিরাপত্তা সংস্থাসহ সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। হারানো লাগেজের ক্ষেত্রে দ্রুত তদন্তের পাশাপাশি যাত্রীদের জন্য একটি স্বচ্ছ ট্র্যাকিং ব্যবস্থা থাকা বাঞ্ছনীয়। প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে লাগেজ শনাক্তকরণ প্রক্রিয়া উন্নত করার কোনো বিকল্প নেই। এছাড়া বয়স্ক বা অনভিজ্ঞ যাত্রীদের সহায়তায় দক্ষ কর্মী নিয়োগ এবং টার্মিনালে দিকনির্দেশনা স্পষ্ট করার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।

কর্মী ও নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের আচরণ পরিবর্তনের জন্য নিয়মিত প্রশিক্ষণ ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। নিরাপত্তার প্রয়োজনে কোনো যাত্রীকে প্রশ্ন করা হলে তার যুক্তিসঙ্গত কারণ বুঝিয়ে বলা আবশ্যক। একই সঙ্গে বিমানবন্দরে দালালি, অননুমোদিত অর্থ লেনদেন বা দুর্নীতির যেকোনো অভিযোগ নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানানো হচ্ছে। এসব অনিয়ম বন্ধে তদারকি বাড়াতে হবে।

তৃতীয় টার্মিনাল চালুর মাধ্যমে বিমানবন্দরের সক্ষমতা বাড়লেও শুধু অবকাঠামো দিয়ে যাত্রী সন্তুষ্টি আনা সম্ভব নয়। এর জন্য প্রয়োজন আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার ও দক্ষ জনবল। যাত্রীসেবার মান পরিমাপ করতে লাগেজ সরবরাহের সময়, অভিযোগ নিষ্পত্তির গতি, ট্রলির প্রাপ্যতা ও নিরাপত্তা সারির ওপর নিয়মিত প্রতিবেদন প্রকাশ করা যেতে পারে। প্রতিটি অভিযোগের বিপরীতে একটি অনুসরণ নম্বর প্রদান এবং নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তার জবাব নিশ্চিত করার ব্যবস্থা করলে যাত্রী দুর্ভোগ অনেকাংশেই কমে আসবে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
২০২৬ © আজকের বসুন্ধরা কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
Theme Customization By NewsSun