সামরিক আক্রমণ কিংবা বলপ্রয়োগের মাধ্যমে একটি জাতিকে ধ্বংস করা বা নতিস্বীকারে বাধ্য করা যায় না বলে মন্তব্য করেছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। আল জাজিরার খবরে বলা হয়, বাহ্যিক হামলার বদলে দেশের অভ্যন্তরীণ কোন্দল এড়াতে জাতীয় ঐক্য ও সংহতির ওপর জোর দিয়েছেন তিনি।
ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা আইআরএনএ পেজেশকিয়ানের বক্তব্য উদ্ধৃত করে জানায়, শুধু বোমা কিংবা ক্ষেপণাস্ত্র বর্ষণ করে কোনো জনগোষ্ঠীকে নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব নয়। তবে দেশের ভেতরে বিভাজন সৃষ্টি হলে শত্রুরা লাভবান হতে পারে। তাই বর্তমান হুমকি মোকাবিলায় জাতীয় সংহতি সুদৃঢ় করার বিকল্প নেই বলে সতর্ক করেন তিনি।
অন্যদিকে, গুরুত্ববহ হরমোজ প্রণালি প্রসঙ্গে কড়া হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন দেশটির সামরিক বাহিনীর ডেপুটি কো-অর্ডিনেটর রিয়ার অ্যাডমিরাল হাবিবুল্লাহ সাইয়ারি। তিনি জানান, বর্তমানে হরমোজ প্রণালি বন্ধ রয়েছে। পূর্বানুমতি ও প্রয়োজনীয় সমন্বয় ছাড়া এই সমুদ্রপথ অতিক্রমের চেষ্টা করলে কঠোর পরিণতি ভোগ করতে হবে।
মেহর নিউজ এজেন্সির বরাতে সাইয়ারি জানান, তরুণ প্রজন্মের দক্ষতা ও আধুনিক সামরিক সরঞ্জামের ওপর ভিত্তি করে যেকোনো পরিস্থিতি সামলাতে প্রস্তুত ইরান। প্রণালির পূর্বাঞ্চলে ইরানি নৌবাহিনীর জোরদার অবস্থান রয়েছে এবং পুরো এলাকার ওপর তাদের সার্বক্ষণিক নজরদারি রয়েছে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) ইরানের এসব দাবি প্রত্যাখ্যান করে জানিয়েছে, এই প্রণালিতে তেহরানের একক কোনো কর্তৃত্ব নেই এবং মার্কিন যুদ্ধজাহাজ ডুবিয়ে দেওয়ার হুমকিকে তারা ভিত্তিহীন বলে মন্তব্য করেছে।