1. admin@ajkerbasundhara.com : admin :
শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:১০ পূর্বাহ্ন

তুরস্কের হুরজেট বিমান কেনার আগ্রহ বাড়াল স্পেন

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশ : শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২৬

তুরস্কের নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি সুপারসনিক প্রশিক্ষণ বিমান ‘হুরজেট’ কেনার ব্যাপারে ইউরোপের দেশ স্পেনের আগ্রহ ক্রমাগত বাড়ছে। দেশটির এই আগ্রহের পরিপ্রেক্ষিতে এখন মোট ৪৫টি বিমান ক্রয়ের পথ প্রশস্ত হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তুর্কি অ্যারোস্পেস ইন্ডাস্ট্রিজের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মেহমেত দেমিরোগলু। এর আগে দুই দেশের মধ্যে ৩০টি হুরজেট কেনার একটি প্রাথমিক চুক্তি সম্পন্ন হয়েছিল। তবে সাম্প্রতিক পরিকল্পনায় আরও ১৫টি নতুন বিমান যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। তুরস্কের উত্তরাঞ্চলীয় প্রদেশ কাস্তামোনুতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এ তথ্য জানান। দেমিরোগলুর ভাষ্য অনুযায়ী, ২০২৮ সাল থেকে স্পেনের কাছে এসব বিমান সরবরাহ শুরু করার জন্য প্রস্তুতিমূলক কাজ চলমান রয়েছে। নতুন এই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে স্পেনের কাছে হুরজেট বিক্রির পরিমাণ বেড়ে দাঁড়াতে পারে ৪৫টিতে। এসব কার্যক্রম ছয়টি পৃথক ক্ষেত্রে বিস্তৃত।

প্রতিরক্ষা খাতে তুরস্কের এই অগ্রগতিকে নিজেদের প্রযুক্তি সক্ষমতার অনন্য নিদর্শন হিসেবে দেখছেন দেশটির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। মেহমেত দেমিরোগলু জানান, একই স্থাপনায় ‘কান’ যুদ্ধবিমান, হুরকুশ প্রশিক্ষণ বিমান, বিভিন্ন ধরনের হেলিকপ্টার, ড্রোন এবং কৃত্রিম উপগ্রহসহ বিমানের প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশ নিয়ে গবেষণা ও উৎপাদন কাজ পরিচালিত হচ্ছে। বর্তমানে তুর্কি অ্যারোস্পেস ইন্ডাস্ট্রিজে প্রায় ১৬ হাজার ৫০০ দক্ষ কর্মী কর্মরত রয়েছেন। তিনি আরও জানান যে, হুরকুশ বিমানের সরবরাহ ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গেছে এবং এটি সামনের বছরগুলোতেও অব্যাহত থাকবে। ভবিষ্যতে আজারবাইজানের মতো অন্যান্য দেশেও এসব সামরিক সরঞ্জাম রপ্তানির লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে তুরস্ক।

সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধির বিষয়ে দেমিরোগলু স্পষ্ট করেন যে, তুরস্কের এই প্রতিরক্ষা কর্মসূচির মূল লক্ষ্য যুদ্ধ শুরু করা নয়, বরং সম্ভাব্য যেকোনো যুদ্ধ প্রতিরোধে নিজেদের সক্ষমতা আরও শক্তিশালী করে তোলা। স্পেনের মতো একটি ইউরোপীয় দেশের পক্ষ থেকে হুরজেট ক্রয়ের এই আগ্রহ আন্তর্জাতিক বাজারে তুর্কি প্রযুক্তির গ্রহণযোগ্যতা ও চাহিদা বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে। যদিও ১৫টি অতিরিক্ত বিমান কেনার এই নতুন পরিকল্পনার চূড়ান্ত চুক্তি বা সময়সূচি নিয়ে এখনই বিস্তারিত কোনো তথ্য জানানো হয়নি, তবে এটি তুরস্কের উড়োজাহাজ রপ্তানি খাতের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ এক মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। আজারবাইজানকে সম্ভাব্য রপ্তানি বাজার হিসেবে উল্লেখ করে আরও বিদেশি ক্রেতা পাওয়ার আশাও প্রকাশ করেন তিনি।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
২০২৬ © আজকের বসুন্ধরা কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
Theme Customization By NewsSun