1. admin@ajkerbasundhara.com : admin :
শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:১১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
দামুড়হুদায় অবৈধ দুই ইটভাটা গুঁড়িয়ে দিল প্রশাসন জীবননগর থানা পুলিশের মাদকবিরোধী অভিযান, ৪৬ বোতল এসকাফসহ যুবক আটক ‎‎‎ধামরাইয়ে পুকুর থেকে এক নারীর মরদেহ উদ্ধার সাভারে মেডিকেল অফিসারের বিরুদ্ধে মানববন্ধন‎‎ ‎ যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকার ধামরাইয়ে সমাবেশ ও র‍্যালি‎ সাত দিনের মধ্যে পোশাকশিল্পের মজুরি বোর্ডের গেজেট: শ্রমমন্ত্রী পিংক সাইকেল চালিয়ে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর কিশোরীদের উৎসাহ দিলেন গাজীপুরের ডিসি গাজীপুরে ঝুটের গোডাউনে আগুন, কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের ৪ ইউনিট বিদেশে কর্মসংস্থানে আস্থার সংকট কাটাতে কাজ করছে আনসার-ভিডিপি দামুড়হুদায় নারী সংক্রান্ত বিরোধে একজনকে কুপিয়ে জখম, ঘটনাস্থলে এএসপি-ওসি

মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠায় কাতারের মধ্যস্থতাকে সমর্থন চীনের, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদারের অঙ্গীকার

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশ : বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

গত ৭ই সেপ্টেম্বর বেইজিংয়ে চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের সঙ্গে বৈঠক করেছেন কাতারের প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আবদুল রহমান আল থানি। দুই দিনের সরকারি সফরে থাকা কাতারের এই শীর্ষ নেতার সঙ্গে বৈঠকে চীন জ্বালানি, বিনিয়োগ, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা প্রশমনে কূটনৈতিক সহযোগিতা আরও জোরদার করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

বৈঠকে লি কিয়াং কাতারকে মধ্যপ্রাচ্যে চীনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত অংশীদার হিসেবে আখ্যায়িত করেন। তিনি একটি অধিকতর ন্যায্য ও ন্যায়সঙ্গত বৈশ্বিক শাসন ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে দুই দেশের মধ্যে বহুপাক্ষিক সমন্বয় বৃদ্ধির আহ্বান জানান। এছাড়া, আঞ্চলিক অস্থিতিশীলতা নিরসন এবং হরমুজ প্রণালীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাতারের মধ্যস্থতাকারী ভূমিকার প্রতি বেইজিং পূর্ণ সমর্থন ব্যক্ত করেছে।

হরমুজ প্রণালীটি চীনের জ্বালানি সরবরাহ এবং কাতারের এলএনজি রপ্তানির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি পথ। বর্তমানে চীনের মোট এলএনজি চাহিদার প্রায় এক-তৃতীয়াংশ কাতার থেকে আসে। এই প্রেক্ষাপটে, যত দ্রুত সম্ভব মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ও স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে কাতার, অন্যান্য উপসাগরীয় রাষ্ট্র এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে কাজ করার বিষয়ে বেইজিংয়ের প্রস্তুতির কথা পুনর্ব্যক্ত করেছেন লি কিয়াং।

কাতারের প্রধানমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আবদুল রহমান আল থানি জানান, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের পরবর্তী ‘সোনালী দশক’ শুরু করার লক্ষ্যে তার দেশ সব স্তরে যোগাযোগ বৃদ্ধি করতে চায়। বিশেষ করে বাণিজ্য, উচ্চ প্রযুক্তি এবং উন্নত উৎপাদন খাতে চীনের সাথে অংশীদারিত্ব গভীর করার বিষয়ে কাতার অত্যন্ত আগ্রহী। কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, অর্থনৈতিক ও বিনিয়োগ খাতের পাশাপাশি পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট আঞ্চলিক ঘটনাবলি নিয়েও দুই নেতা আলোচনা করেছেন।

উল্লেখ্য, ২০২০ সাল থেকে চীন কাতারের বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদার এবং শীর্ষ রপ্তানি গন্তব্য হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। কাতারে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত কাও জিয়াওলিনের দেওয়া তথ্যমতে, গত এক দশকে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ১২৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০১৪ সালে এই বাণিজ্যের পরিমাণ ছিল ১০.৬ বিলিয়ন ডলার, যা ২০২৪ সালে ২৪.২২ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত হয়েছে।

মধ্যপ্রাচ্যে কাতার তার কৌশলগত অবস্থানের মাধ্যমে একদিকে যেমন মার্কিন বিমান ঘাঁটির আতিথ্য দিচ্ছে, অন্যদিকে ইরানের সঙ্গেও আলোচনার পথ উন্মুক্ত রেখেছে। আগস্টের শেষের দিকে কাতারের প্রধানমন্ত্রী তেহরান সফর করেন, যার মূল লক্ষ্য ছিল ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে মধ্যস্থতা করা এবং হরমুজ প্রণালীতে স্থিতিশীলতা বজায় রাখার জন্য একটি কার্যকর কাঠামো তৈরি করা। বেইজিংয়ের এই কূটনৈতিক সমর্থন কাতারের সেই মধ্যস্থতাকারী প্রচেষ্টাকে আরও শক্তিশালী করবে বলে মনে করা হচ্ছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
২০২৬ © আজকের বসুন্ধরা কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
Theme Customization By NewsSun