1. admin@ajkerbasundhara.com : admin :
শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৩২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
দামুড়হুদায় অবৈধ দুই ইটভাটা গুঁড়িয়ে দিল প্রশাসন জীবননগর থানা পুলিশের মাদকবিরোধী অভিযান, ৪৬ বোতল এসকাফসহ যুবক আটক ‎‎‎ধামরাইয়ে পুকুর থেকে এক নারীর মরদেহ উদ্ধার সাভারে মেডিকেল অফিসারের বিরুদ্ধে মানববন্ধন‎‎ ‎ যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকার ধামরাইয়ে সমাবেশ ও র‍্যালি‎ সাত দিনের মধ্যে পোশাকশিল্পের মজুরি বোর্ডের গেজেট: শ্রমমন্ত্রী পিংক সাইকেল চালিয়ে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর কিশোরীদের উৎসাহ দিলেন গাজীপুরের ডিসি গাজীপুরে ঝুটের গোডাউনে আগুন, কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের ৪ ইউনিট বিদেশে কর্মসংস্থানে আস্থার সংকট কাটাতে কাজ করছে আনসার-ভিডিপি দামুড়হুদায় নারী সংক্রান্ত বিরোধে একজনকে কুপিয়ে জখম, ঘটনাস্থলে এএসপি-ওসি

মধ্যপ্রাচ্যে ফিরছেন মার্কিন কূটনীতিকেরা: ইরান নীতিতে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত ট্রাম্প প্রশাসনের

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশ : শনিবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৬

ইরানের সঙ্গে সামরিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশ থেকে সরিয়ে নেওয়া মার্কিন কূটনীতিকদের পুনরায় নিজ নিজ কর্মস্থলে ফেরানো শুরু করেছে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন। এই পদক্ষেপটি এমন সময়ে নেওয়া হলো যখন ওয়াশিংটন ইরানের বিরুদ্ধে নতুন কোনো বড় ধরনের সামরিক হামলা না চালানোর ইঙ্গিত দিয়েছে। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বিদেশি কর্মকর্তাদের জানিয়েছেন, এই মুহূর্তে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর নতুন কোনো আক্রমণ শুরু করবে না, বরং দেশটির ওপর অর্থনৈতিক চাপ প্রয়োগের কৌশল বজায় রাখবে।

কূটনীতিকদের ফেরানোর এই সিদ্ধান্তটি দীর্ঘদিনের অনিশ্চয়তার অবসান ঘটাচ্ছে। এর আগে যুদ্ধের তীব্রতা বাড়ার আশঙ্কায় অনেক কূটনীতিককে তাদের পরিবারসহ যুক্তরাষ্ট্রে সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল। এতে করে কূটনীতিকদের সন্তানদের পড়াশোনা এবং কর্মস্থলে ফেরা নিয়ে তৈরি হয়েছিল বড় ধরনের অনিশ্চয়তা। এখন ধীরে ধীরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার ইঙ্গিত মিললেও, ওয়াশিংটন এখনও পুরোপুরি ঝুঁকিহীন মনে করছে না।

নিউইয়র্ক টাইমসের তথ্য অনুযায়ী, ইসরায়েল, লেবানন, সৌদি আরব, কাতার, ওমান, ইরাক ও কুয়েতের মতো দেশগুলোতে কূটনীতিকদের ফিরিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা অগ্রাধিকার পাচ্ছে। এর মধ্যে লেবাননের দূতাবাসে প্রথম দফায় কর্মী পাঠানো হবে। তবে মিশনগুলোতে জনবল নিয়োগের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কোটা নির্ধারণ করা হয়েছে। সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরব, কাতার ও লেবাননে সর্বোচ্চ ৮৫ শতাংশ পর্যন্ত জনবল রাখা হবে। অন্যদিকে ইরাক, কুয়েত ও বাহরাইনের ক্ষেত্রে এই সীমা সর্বোচ্চ ৭৫ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে।

নিরাপত্তাঝুঁকি পুরোপুরি না কাটায় মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর উপসাগরীয় দেশগুলোতে কর্মরত কর্মকর্তাদের সঙ্গে পরিবারের সদস্যদের ভ্রমণের ওপর নতুন বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। লেবানন ও ইরাকে আগে থেকেই এমন বিধিনিষেধ কার্যকর রয়েছে। ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে উত্তেজনার সময় ইরান উপসাগরীয় দেশগুলোর বিভিন্ন স্থাপনায় হামলা চালিয়েছিল, যা কুয়েত ও বাহরাইনের মতো ছোট দেশগুলোর জন্য বড় ধরনের নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি করেছিল।

পেন্টাগন বর্তমানে ইরানের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মুখে থাকা বড় সামরিক ঘাঁটিগুলোর নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে পর্যালোচনা করছে। ওয়াশিংটন পোস্টের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ট্রাম্প প্রশাসন পুরো উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের সম্ভাবনা নিয়েও কাজ করছে। এছাড়া লন্ডনের মিডল ইস্ট আইয়ের তথ্যমতে, যুদ্ধের পর উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি রাখার কৌশল নিয়ে ওয়াশিংটনে বড় ধরনের পুনর্মূল্যায়ন চলছে।

সব মিলিয়ে, কূটনীতিকদের ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্তটি সামরিক উত্তেজনা হ্রাসের ইঙ্গিত দিলেও, উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন সেনা ও কূটনৈতিক উপস্থিতির নিরাপত্তা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের গভীর উদ্বেগ এখনও স্পষ্ট। ওয়াশিংটনের দীর্ঘদিনের মধ্যপ্রাচ্য কৌশল এখন বড় ধরনের পরিবর্তনের মুখে দাঁড়িয়ে আছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
২০২৬ © আজকের বসুন্ধরা কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
Theme Customization By NewsSun