1. admin@ajkerbasundhara.com : admin :
শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:২০ অপরাহ্ন
শিরোনাম
‎কাশিমপুর ভূমি অফিসের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সাময়িক বরখাস্ত করলো গাজীপুর জেলা প্রশাসক ‎অপহরন ও চাঁদাবাজি করে নগদ টাকা হাতিয়ে নেওয়ায় নাহিদ পারভেজকে গ্রেফতার হিজলগাড়ী প্রেসক্লাবের নতুন কমিটি গঠন:রাশেদুল ইসলাম সহ- সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হিজলগাড়ী প্রেসক্লাবের নতুন কমিটি গঠন: সভাপতি আরিফ হাসান, সাধারণ সম্পাদক সেলিম রেজা আমতলীতে অজ্ঞাত এক যুবকের বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ‎কাশিমপুরে দুই লাখ দশ হাজার টাকা জরিমানা করলো এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট সাংবাদিক জামালের ওপর সন্ত্রাসী হামলা গাজীপুর কাশিমপুরে দুই সাংবাদিকের ওপর সন্ত্রাসী হামলা রাজধানীসহ সারাদেশে তীব্র গ্যাস সংকট গুরুতর অসুস্থতার কারণে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করেছেন

ইউক্রেনের ড্রোনযুদ্ধে অস্ত্রের নাম এখন মনস্তাত্ত্বিক লড়াইয়ের অংশ

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশ : মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২৬

কোনো ড্রোন ইউক্রেনের শহর রক্ষা করছে, আবার কোনোটি কয়েকশ’ কিলোমিটার দূরে রাশিয়ার তেল শোধনাগারে হামলা চালাচ্ছে। তবে, ইউক্রেনের ড্রোনগুলোর আরেকটি বিশেষ দিক হলো তাদের ব্যতিক্রমী নাম। রসিকতাকে তারা মনস্তাত্ত্বিক যুদ্ধের অংশে পরিণত করেছে।

শব্দের কৌতুক, তীক্ষè রসিকতা এবং ক্ষোভের প্রকাশ মিলিয়ে এসব নাম এখন প্রতিরোধের প্রতীক হয়ে উঠেছে। চার বছরেরও বেশি সময় ধরে রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধরত একটি দেশের মানুষের জীবনে এগুলো কিছুটা হলেও স্বস্তির অনুভূতি এনে দিচ্ছে।

যুক্তরাজ্যের ফার্নবরো থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।

লন্ডনের দক্ষিণ-পশ্চিমে আয়োজিত ফার্নবরো এয়ার শোতে সোমবার দর্শনার্থীরা পিএস-১ সানের নতুন সংস্করণের ছবি তুলতে ভিড় করেন।

‘পিসিওউন’ লেখা টি-শার্ট পরা এবং বালাক্লাভা দিয়ে মুখ ঢেকে রাখা স্কাইফলের একজন মুখপাত্র কোম্পানিটির নতুন মডেল ‘পিএস-১ সান জেট কিলার’ উপস্থাপন করেন। এটি রাশিয়ার ব্যবহৃত জেটচালিত শাহেদ ড্রোন ভূপাতিত করার জন্য তৈরি করা হয়েছে।

সম্প্রতি রাশিয়ার তেল শোধনাগারে হামলায় ব্যবহৃত এবং ফার্নবরোতে প্রদর্শিত ‘লিউতি’ নামের গভীর-পাল্লার ড্রোনটির অর্থ ইউক্রেনীয় ভাষায় একদিকে ‘ফেব্রুয়ারি’, ২০২২ সালের যে মাসে রাশিয়া পূর্ণমাত্রার আগ্রাসন শুরু করেছিল। অন্যদিকে শব্দটির অর্থ ‘প্রচণ্ড ক্রুদ্ধ।’

আরেকটি ড্রোনের নাম ‘পালিয়ানিৎসিয়া’। এটি ইউক্রেনের ঐতিহ্যবাহী সাদা রুটির নাম। শব্দটি রুশ ভাষাভাষীদের জন্য উচ্চারণ করা অত্যন্ত কঠিন। যুদ্ধের সময় ইউক্রেনীয় ও রুশদের আলাদা করতে এটি পরীক্ষাস্বরূপও ব্যবহার করা হয়।

ইউক্রোবোরোনপ্রমের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা, নাম প্রকাশ না করার শর্তে এএফপির সঙ্গে কথা বলেন। তিনি জানান, ইউক্রেনীয় ভাষায় ‘নরক’ অর্থে ব্যবহৃত ‘পেকলো’ নামটি প্রতিষ্ঠানটির একটি আক্রমণকারী ড্রোনের জন্য বেছে নিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি।

তার ভাষায়, এ নামটি ‘সমগ্র ইউক্রেনের প্রতিশোধ এবং শাস্তির’ প্রতীক। রাশিয়ার ধ্বংসযজ্ঞের জবাব হিসেবেই এ নাম রাখা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় কার্গো বিমান এবং ইউক্রেনের মহাকাশ ও বিমান শিল্পের প্রতীক আন্তোনভ অ্যান-২২৫ ‘মরিয়া’র ধ্বংসও। রুশ আগ্রাসনের প্রথম দিকেই বিমানটি ধ্বংস হয়ে যায়।

ওই কর্মকর্তা বলেন, ‘এটি শুধু অর্থ উপার্জনের জন্য তৈরি আরেকটি বাণিজ্যিক পণ্য নয়। এটি এমন একটি অস্ত্র, যা আমাদের রক্ষা করে। আমাদের আরও একটি দিন বাঁচার সুযোগ করে দেয়। আমাদের প্রিয়জনদের আবার দেখার সুযোগ এনে দেয়।’

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
২০২৬ © আজকের বসুন্ধরা কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
Theme Customization By NewsSun