1. admin@ajkerbasundhara.com : admin :
শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬, ০৪:১৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
কাশিমপুরে NSI এর তথ্যের ভিত্তিতে তিনটি প্রতিষ্ঠানে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করা হয় হরমুজ, মালাক্কাসহ গুরুত্বপূর্ণ প্রণালীগুলো শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার কেন্দ্র ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন ও ভাষা সংরক্ষণে কাজ করছে সরকার : ডেপুটি স্পিকার স্থায়ী বাঁধ নির্মাণে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা গঙ্গাচড়াবাসীর রাঙ্গামাটিতে বন্যাদুর্গত প্রতিবন্ধী পরিবারের মাঝে খাদ্যশস্য বিতরণ উত্তর আমেরিকায় বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখেছেন ৬ কোটিরও বেশি দর্শক পিঁপড়া দিয়ে তৈরি শরবত পরিবেশন: দক্ষিণ কোরিয়ার রেস্তোরাঁ মালিকের কারাদণ্ডের ঝুঁকি ২০২৬-২৭ করবর্ষের ই-রিটার্ন সেবা চালু, জুলাই-সেপ্টেম্বরে রিটার্ন দিলে ৫ শতাংশ প্রণোদনা ১৫৫ বছরে রাজশাহী এসোসিয়েশন, ইতিহাস-ঐতিহ্য সংরক্ষণের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দের সাক্ষাৎ

হরমুজের নিয়ন্ত্রণ ইরানের হাতে গেলে ‘বিশ্বজুড়ে ঝুঁকি’ তৈরি হবে: রুবিও

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশ : বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২৬

ইরান যদি হরমুজ প্রণালীর নিয়ন্ত্রণ নিতে পারে, তাহলে তা মধ্যপ্রাচ্যের বাইরেও প্রভাব ফেলবে এবং বিশ্বজুড়ে ঝুঁকি তৈরি হবে বলে মন্তব্য করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও।

বুধবার দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর জোট আসিয়ানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এ মন্তব্য করেন।

খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

রুবিওর এই বক্তব্যের সময় যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড জানায়, বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথে হুমকি কমাতে ইরানের সামরিক স্থাপনায় টানা ১১তম রাতের মতো হামলা শুরু করেছে মার্কিন বাহিনী।

ম্যানিলায় আসিয়ানের এক বৈঠকে রুবিও বলেন, ‘আমরা যদি মধ্যপ্রাচ্যে এমন একটি নজির তৈরি করি, যেখানে কোনো একটি দেশ আন্তর্জাতিক নৌপথ নিয়ন্ত্রণের সিদ্ধান্ত নিতে পারে, টোল আদায় করতে পারে ও অর্থ না দিলে জাহাজ ধ্বংস করতে পারে, তাহলে বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চল, এমনকি এই অঞ্চলেও একই ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার ঝুঁকি থাকবে।’

তিনি বলেন, ‘মূল বিষয়টি খুবই সহজ। ইরান এমন একটি অধিকার দাবি করছে— যার কোনো বিদ্যমান আইনি ভিত্তি নেই।’

হরমুজ প্রণালী দিয়ে চলাচলকারী নৌযান নিয়ন্ত্রণের কোন আইনি অধিকার ইরানের নেই উল্লেখ করে রুবিও আরও বলেন, ‘নৌ চলাচলের স্বাধীনতার একটি মৌলিক নীতি হুমকির মুখে পড়েছে। এটি কোনোভাবেই হতে দেওয়া যায় না।’

রুবিওর এ বক্তব্য এমন এক সময়ে এলো, যখন দক্ষিণ চীন সাগরে চীন ও আসিয়ানভুক্ত কয়েকটি দেশের মধ্যে একাধিক বিরোধপূর্ণ দাবি নিয়ে উত্তেজনা চলছে। 
বৈশ্বিক বাণিজ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ আরেকটি এই সামুদ্রিক পথ নিয়েও দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ রয়েছে।

মঙ্গলবার সকালে ফিলিপাইনে পৌঁছান রুবিও। তার পৌঁছানোর সময়ই বিতর্কিত ওই জলসীমায় চীনা ও ফিলিপাইনের নাবিকদের মধ্যে সাম্প্রতিক সংঘর্ষের ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্র নিন্দা জানায়।

বুধবার আসিয়ান সম্মেলনের ফাঁকে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ইয়ের সঙ্গে বৈঠক করার কথা রয়েছে রুবিওর। 

এছাড়া তিনি কোয়াড জোটের সদস্য ভারত, অস্ট্রেলিয়া ও জাপানের প্রতিনিধিদের সঙ্গেও আলোচনা করবেন।

রুবিও আরও বলেন, ইরানের সঙ্গে কূটনৈতিক আলোচনার পথ এখনো খোলা রেখেছে যুক্তরাষ্ট্র। তবে তার দাবি, তেহরান এ বিষয়ে ‘গুরুত্বের সঙ্গে’ এগোচ্ছে না।

তিনি বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র এখনো ইতিবাচক ও গঠনমূলক আলোচনা এবং সমঝোতায় অংশ নিতে প্রস্তুত। তবে এর জন্য দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলো অবশ্যই রক্ষা করতে হবে।’

রুবিও বলেন, ‘বর্তমান সমস্যাটি হলো, তারা (ইরান) আলোচনাকে গুরুত্বসহকারে নিচ্ছে না। তারা যদি আন্তরিক হয়, আমরাও আন্তরিক থাকব। আর যদি তারা তা না করে, তাহলে আমরা নিজেদের ও মিত্রদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেব।’

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
২০২৬ © আজকের বসুন্ধরা কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
Theme Customization By NewsSun