1. admin@ajkerbasundhara.com : admin :
শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ০২:১৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
তথ্য অধিকার আইন সম্পর্কে জানেন মাত্র সাড়ে ১০ শতাংশ এয়ার অ্যাস্ট্রার বহরে নতুন উড়োজাহাজ, তিন মাসেই সক্ষমতা দ্বিগুণ অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা ক্যাশলেস লেনদেনে কোনো ফি কাটবে না: অর্থমন্ত্রী সেপ্টেম্বরে ৮.৫৪ শতাংশ বেড়েছে বাংলাদেশের পণ্য রপ্তানি ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ যাত্রা শুরু বাংলাদেশের সেপ্টেম্বরে দেশের রপ্তানি আয় ৮.৫৪ শতাংশ বেড়েছে অপহরণের অভিযোগের পর ফেসবুক লাইভে কলেজছাত্রীর বক্তব্য, ‘স্বেচ্ছায় স্বামীর সঙ্গে এসেছি’ প্রত্যুষার মৃত্যুর দশ বছর পর মামলার গুরুত্বপূর্ণ রায় শুক্রবার ঢাকায় পৌঁছাবে রূপপুরের ইউরেনিয়াম, চূড়ান্ত প্রস্তুতি বিদ্যুৎ উৎপাদনে

অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০২৬

অবৈধ অভিবাসন প্রতিরোধ এবং বিদেশে কর্মী পাঠানোর প্রক্রিয়া স্বচ্ছ করার লক্ষ্যে দেশে ৪৯টি রিক্রুটিং এজেন্সির লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে। এছাড়া বেশ কয়েকটি এজেন্সির কার্যালয় সিলগালা করার পাশাপাশি আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মোবাইল কোর্ট পরিচালনার নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলারের সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষাৎকালে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী এ তথ্য জানান। বৈঠকে মন্ত্রী দেশের বর্তমান সরকারের বৈধ উপায়ে কর্মী পাঠানোর দৃঢ় প্রতিশ্রুতির কথা পুনর্ব্যক্ত করেন।

দ্বিপাক্ষিক এই বৈঠকে ইইউ রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের রেমিট্যান্স অর্জনে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ভূমিকার প্রশংসা করেন। একই সঙ্গে আগামী পাঁচ বছরে এক কোটি কর্মী বিদেশে পাঠানোর সরকারি লক্ষ্যমাত্রার কথা উল্লেখ করে তিনি জনশক্তি রপ্তানিকারক এজেন্সিগুলোর লাইসেন্স প্রদান ও নজরদারি প্রক্রিয়া সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চান। নিরাপদ ও নৈতিক অভিবাসন নিশ্চিত করতে এবং অতিরিক্ত অভিবাসন ব্যয় কমাতে বাংলাদেশের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন মাইকেল মিলার। তিনি আশ্বাস দেন যে, যোগ্য বাংলাদেশি কর্মীরা যাতে নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে ইউরোপে প্রবেশ করতে পারেন, সেজন্য ‘ট্যালেন্ট পার্টনারশিপ’ কর্মসূচির আওতায় কাজ করবে ইইউ।

বৈধ শ্রমবাজার সম্প্রসারণ ও পুনর্বাসন উদ্যোগ

বৈঠকে বাংলাদেশে ‘ইউরোপিয়ান ট্রেইনিং ফাউন্ডেশন’ এর কার্যক্রম বাড়ানোর পাশাপাশি বিদেশফেরত কর্মীদের সামাজিক ও অর্থনৈতিকভাবে পুনর্বাসিত করতে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সহযোগিতা অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়। ইইউ রাষ্ট্রদূত এ সময় এ দেশের শ্রম আইনে ট্রেড ইউনিয়ন গঠনের অধিকার, ইপিজেড আইনের সঙ্গে সাধারণ শ্রম আইনের সমন্বয় সাধন, শিশুশ্রম নির্মূল এবং নিয়মিত কলকারখানা পরিদর্শনের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। জবাবে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে জানানো হয় যে, বিদেশফেরত কর্মীদের জন্য বিশ্বব্যাংকের আর্থিক সহায়তায় ‘রেইজ’ নামের একটি পুনর্বাসন প্রকল্প বর্তমানে সফলভাবে চালু রয়েছে।

নজরদারি জোরদার ও সচেতনতা বৃদ্ধি

মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. সাইফুল হক চৌধুরী জানান, রিক্রুটিং এজেন্সিগুলো বাছাই এবং তাদের কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণের জন্য সুনির্দিষ্ট নীতিমালা রয়েছে। এজেন্সিগুলোর সার্বিক কার্যক্রম সশরীরে পরিদর্শনের জন্য একাধিক বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছে, যারা নির্দিষ্ট সময় পর পর তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেবে। অন্যদিকে, ইতালির সঙ্গে বাংলাদেশের চলমান বৈধ অভিবাসন প্রক্রিয়াকে উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরে বৈধ পথে বিদেশ যাত্রার বিষয়ে জনসচেতনতা সৃষ্টিতে ইইউর পক্ষ থেকে বিশেষ প্রকল্প গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়। অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান ধরে রাখতে এবং সচেতনতা বৃদ্ধিতে খুব শীঘ্রই অংশীজন ও সাংবাদিকদের নিয়ে একটি গোলটেবিল বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে বলে মন্ত্রণালয় জানিয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
২০২৬ © আজকের বসুন্ধরা কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
Theme Customization By NewsSun