1. admin@ajkerbasundhara.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ০২:১৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম
সুন্দরবন ও মোংলা বন্দর পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চীনে চিকিৎসাধীন সাংবাদিক চাষি রমজানের সুস্থতার জন্য দোয়া কামনা সাজেকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সশস্ত্র গোষ্ঠীর গোলাগুলি মানিকগঞ্জে বাস-ইজিবাইক সংঘর্ষে নিহত ২, আহত চালক ভোটে এগিয়ে থাকলেও রোনালদো পাচ্ছেন না নতুন কোনো ট্রফি খোলামেলা দৃশ্যে অভিনয়ে অস্বস্তি, নির্মাতাদের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রাশমিকা পিএইচপিতে মারাত্মক ত্রুটি, বিশ্বজুড়ে বহু ওয়েবসাইট বন্ধ নির্বাচন পরবর্তী ইরানে বড় হামলার পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের রুটস ওয়ার্ল্ড অ্যাওয়ার্ডসের চূড়ান্ত তালিকায় ভিয়েতনামের দা নাং বিমানবন্দর ম্যাক্রোঁর সম্মানে কাতারের আমিরের রাজকীয় নৈশভোজ

নির্বাচন পরবর্তী ইরানে বড় হামলার পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন পরবর্তী সময়ে ইরানে নতুন করে বড় ধরনের সামরিক অভিযান পরিচালনার পরিকল্পনা তৈরি করছে ওয়াশিংটন ও তেল আবিব। আগামী ৩ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রে এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। নির্বাচনের পরপরই ইরানের বিরুদ্ধে স্বল্পমেয়াদি অথচ তীব্র সামরিক হামলা চালানোর সম্ভাবনা নিয়ে দুই দেশের সামরিক কৌশলবিদরা তাদের প্রস্তুতি জোরদার করেছেন। নিউইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে এমন তথ্য উঠে এসেছে, যদিও হামলার নির্দিষ্ট কোনো দিনক্ষণ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি।

অভিযান প্রস্তুতির অংশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সেনাবাহিনী বিভিন্ন ধরনের সামরিক মহড়া চালাচ্ছে। বিশেষ করে ইরানের সীমান্তবর্তী দেশ ইরাকের আকাশসীমা ব্যবহার করে কীভাবে হামলা চালানো যায়, সেই কৌশলগুলো বারবার অনুশীলন করা হচ্ছে। তবে এসব প্রস্তুতির মানে এই নয় যে, হামলার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়ে গেছে। চূড়ান্ত অনুমোদন দেবেন কি না, তা নিয়ে খোদ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অবস্থানও এখনো ধোঁয়াশাচ্ছন্ন।

সম্ভাব্য এই হামলার লক্ষ্যবস্তু হিসেবে ইরানের জ্বালানি অবকাঠামো, পারমাণবিক স্থাপনা এবং ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের বিশাল মজুতকে চিহ্নিত করা হয়েছে। মার্কিন কর্মকর্তাদের মতে, জ্বালানি খাতে বড় ধরনের আঘাত এলে ইরানের অর্থনীতি চরম সংকটে পড়তে পারে। এমন পরিস্থিতিতে তেহরান কূটনৈতিক আলোচনায় বসতে এবং ছাড় দিতে বাধ্য হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে এটি কর্মকর্তাদের নিজস্ব মূল্যায়ন মাত্র; এই হামলার প্রকৃত ফলাফল বা ইরানের পক্ষ থেকে সম্ভাব্য প্রতিক্রিয়া কেমন হতে পারে, তা নিয়ে এখনো নিশ্চিত কোনো পূর্বাভাস নেই। এর মাধ্যমে তেহরানকে কূটনৈতিক আলোচনায় ছাড় দিতে বাধ্য করা যাবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট কয়েকজন কর্মকর্তা।

এদিকে, ইরানের বিষয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের অবস্থান এবং এই সামরিক পরিকল্পনার ভবিষ্যৎ নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

নির্বাচনী প্রচারণার সময় ট্রাম্প জনসমক্ষে ঘোষণা দিয়েছিলেন যে, ৩ নভেম্বরের নির্বাচনের আগে যুক্তরাষ্ট্র ইরানে কোনো সামরিক হামলা চালাবে না। এমনকি তিনি ইরানের সঙ্গে আলোচনার পথ খোলা থাকার কথাও জানিয়েছিলেন। নির্বাচনের আগে এই প্রতিশ্রুতি দিলেও, নেপথ্যে সামরিক প্রস্তুতি চালিয়ে যাওয়ার বিষয়টি মার্কিন প্রশাসনের পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে। চলতি অক্টোবরেও হামলার একটি ক্ষীণ সম্ভাবনা থাকলেও তা অত্যন্ত কম বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। ইরানের সঙ্গে আলোচনা চলছে বলেও তিনি উল্লেখ করেছিলেন।

অন্যদিকে, কূটনৈতিক তৎপরতার অংশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ এই সপ্তাহে ইসরায়েল সফর করেছেন। সেখানে তিনি দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে মিলিত হয়েছেন। এই বৈঠকে সম্ভাব্য নতুন অভিযানের বিষয়টি আলোচিত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে, তবে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর নিশ্চয়তা পাওয়া যায়নি। নির্বাচনের ঠিক পরেই এমন সামরিক পরিকল্পনা এবং উচ্চপর্যায়ের বৈঠকগুলো মধ্যপ্রাচ্যের সামগ্রিক পরিস্থিতিকে নতুন মোড়ে নিয়ে যাচ্ছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
২০২৬ © আজকের বসুন্ধরা কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
Theme Customization By NewsSun