প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হয়েও নিয়োগপত্র না পাওয়ার প্রতিবাদে রাজধানীর শাহবাগে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন একদল প্রার্থী। রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টার দিকে মিছিল নিয়ে তারা শাহবাগ থানার সামনের রাস্তায় সমবেত হন। চূড়ান্ত সুপারিশ পাওয়ার পরও নিয়োগ প্রক্রিয়া থেকে বাদ পড়ায় তাদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ ও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। দ্রুত নিয়োগপত্র হস্তান্তরের দাবি নিয়ে তারা সেখানে শান্তিপূর্ণভাবে অবস্থান করছেন।
চলতি মাসের ২৪ সেপ্টেম্বর থেকে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের নিয়োগপত্র প্রদানের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। তবে ‘কেন্দ্রীয় প্যানেল প্রাইমারি ২০২৫’ প্ল্যাটফর্মের তথ্যমতে, ১৪ হাজার ৩৮৪ জন নির্বাচিত প্রার্থীর মধ্যে প্রায় ১৫ শতাধিক প্রার্থীর নিয়োগপত্র এখনো ইস্যু করা হয়নি। ভেরিফিকেশনে উত্তীর্ণ হওয়ার পরও কেন তাদের বাদ দেওয়া হয়েছে, সেই বিষয়ে সুস্পষ্ট ব্যাখ্যার দাবি জানিয়েছে আন্দোলনরত প্রার্থীরা। ২৫ সেপ্টেম্বর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে তারা পাঁচটি দাবি উত্থাপন করেন। বাদ পড়ার সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা জনসমক্ষে প্রকাশসহ পাঁচ দফা দাবি জানিয়েছে প্ল্যাটফর্মটি। এর আগে সকাল থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির সামনে জড়ো হন তারা।
উল্লেখ্য, গত ৯ জানুয়ারি পার্বত্য তিন জেলা বাদে দেশের ৬১ জেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ৬৯ হাজার ২৬৫ জনকে মৌখিক পরীক্ষার জন্য ডাকা হয়েছিল। পরবর্তীতে ৮ ফেব্রুয়ারি সহকারী শিক্ষক নিয়োগ-২০২৫ এর চূড়ান্ত ফল প্রকাশিত হয়, যেখানে ১৪ হাজার ৩৮৪ জনকে সহকারী শিক্ষক হিসেবে নিয়োগের জন্য চূড়ান্ত সুপারিশ করা হয়। এখন চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হওয়ার পরও নিয়োগবঞ্চিত এসব প্রার্থীরা দ্রুত সরকারি সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রাজপথে নেমেছেন।