1. admin@ajkerbasundhara.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:২০ অপরাহ্ন
শিরোনাম
এলপিজি নির্ধারিত দামে বিক্রির নির্দেশ, অমান্য করলে কড়া ব্যবস্থা ইন্দোনেশিয়ার কাছে অসহায় বাংলাদেশ: বিরতির আগেই হজম ৬ গোল আমাদের ৫টি মিনিট সময় দিন, আশুলিয়ার মাদ্রাসা রক্ষায় প্রধানমন্ত্রীর কাছে ট্রাস্ট পরিবারের আরজি বরিশাল নগরীতে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষিকার মৃত্যুতে চাঞ্চল্য বাংলাদেশ সিরিজের জন্য আফগানিস্তানের দল ঘোষণা: নেতৃত্বে রহমত শাহ পাবনার শরৎনগর পশুর হাট: গ্রামীণ অর্থনীতির প্রাণকেন্দ্র সংসদ সদস্য ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টির পদত্যাগ: আসন শূন্য ঘোষণা ক্যালিফোর্নিয়ায় আবাসিক এলাকায় ছোট বিমান বিধ্বস্ত, নিহত ৪ কাতারে ৩০ সেপ্টেম্বরের চাকরির খবর ও কিছু জরুরি সতর্কতা ডিসেম্বরে কোনো অস্থিরতা সম্ভব নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

মাগুরায় ২৩৫ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহারে ৫০৬ কোটি টাকার বিল

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশ : বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

মাগুরায় এক আবাসিক গ্রাহকের ২৩৫ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহারের বিপরীতে ৫০৬ কোটি ৮৩ লাখ ১১ হাজার ৫৯৩ টাকার অস্বাভাবিক বিল পাঠিয়েছে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি। সদর উপজেলার মঘি ইউনিয়নের কেচুয়াডুবি গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক শহীদুল ইসলামের স্ত্রী মোছা. আলেয়া খাতুনের নামে এই বিলটি ইস্যু করা হয়। অস্বাভাবিক এই বিল দেখে ভুক্তভোগী পরিবারটি হতবাক হয়ে পড়ে। বিল পরিশোধের শেষ তারিখ ছিল ২৯ সেপ্টেম্বর। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত বিলটি সংশোধন করে দেয় এবং গ্রাহক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রকৃত বিল পরিশোধ করেছেন।

বিলের অসংগতি ও হিসাব

  • বিলের তথ্য অনুযায়ী, ৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মিটারের রিডিং ছিল ৩৯৫ এবং ৮ আগস্টের আগের রিডিং ১৬০। অর্থাৎ এক মাসে তাঁর বিদ্যুৎ ব্যবহার হয়েছে ২৩৫ ইউনিট।
  • এই ২৩৫ ইউনিটের বিপরীতে প্রথম বিলে ডিমান্ড চার্জ দেখানো হয়েছিল ৪৮২ কোটি ৬৯ লাখ ৬৩ হাজার ৪২২ টাকা।
  • এর সঙ্গে ২৪ কোটি ১৩ লাখ ৪৮ হাজার ১৭১ টাকার ভ্যাট ও ১০ টাকা মিটার ভাড়া যোগ করে মোট বিল দাঁড়ায় ৫০৬ কোটি ৮৩ লাখ ১১ হাজার ৫৯৩ টাকা।
  • বিলটি নির্ধারিত সময়ে পরিশোধ না করলে বিলম্ব মাশুলসহ মোট ৫৩০ কোটি ৯৬ লাখ ৫৯ হাজার ৭৬৪ টাকা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।

ভুক্তভোগী গ্রাহক আলেয়া খাতুন জানান, বিল হাতে পাওয়ার পর বিষয়টি বিদ্যুৎ কার্যালয়ে জানালে তারা দ্রুত তা সংশোধন করে দেয়। সংশোধনের পর গত ৮ আগস্ট থেকে ৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ২৩৫ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহারের বিপরীতে প্রকৃত বিল দাঁড়ায় ১ হাজার ৯৬৩ টাকা। বিলম্ব মাশুলসহ এই অংক দাঁড়ায় ২ হাজার ৫৬ টাকা। গতকাল নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই তিনি ১ হাজার ৯৬৩ টাকার বিল পরিশোধ করেছেন।

পল্লী বিদ্যুতের আড়পাড়া আঞ্চলিক কার্যালয়ের উপমহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) মো. রেজাউল করিম ভুলের বিষয়টি স্বীকার করে জানিয়েছেন, গ্রাহকের মিটার পরিবর্তন হওয়ার সময় ভুলবশত মিটারের সিল নম্বরের ডিজিটগুলো ডিমান্ড চার্জের ঘরে বসানো হয়েছিল। এতেই এই বিশাল অংকের অস্বাভাবিক বিল তৈরি হয়। বিষয়টি গ্রাহক জানানোর পরপরই দ্রুত বিল সংশোধন করা হয়েছে এবং গ্রাহক প্রকৃত বিল পরিশোধ সম্পন্ন করেছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
২০২৬ © আজকের বসুন্ধরা কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
Theme Customization By NewsSun