1. admin@ajkerbasundhara.com : admin :
মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ১২:২৩ অপরাহ্ন

শাহজালালে জুতায় ১৬ কোটির সোনা: দুই বিমানকর্মী রিমান্ডে

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশ : মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৬

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের রানওয়েতে বিমানের দুই কর্মচারীর জুতার ভেতর থেকে সাড়ে ১৬ কোটি টাকা মূল্যের ৮০টি সোনার বার জব্দের ঘটনায় তাদের ৫ দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছে আদালত। সোমবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রিপন হোসেন এই আদেশ দেন। এদিন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা তথা বিমানবন্দর থানার পরিদর্শক আবুল কাইয়ুম আসামিদের আদালতে হাজির করে ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন জানিয়েছিলেন। শুনানি শেষে আদালত ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। তবে শুনানিকালে আসামিদের পক্ষে কোনো আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন না। রিমান্ডে যাওয়া দুই বিমানকর্মী হলেন মানিক মিয়া ও মিজানুর রহমান।

কাস্টমস গোয়েন্দা সূত্রে জানা যায়, গোপন খবরের ভিত্তিতে গত রোববার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে কড়া নজরদারি শুরু করেন কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা। ওই সময় দুবাই থেকে আসা এমিরেটস এয়ারলাইনসের একটি বিমান রানওয়েতে অবস্থান করছিল। বিমানটির পাশে দায়িত্বে থাকা বিমানের দুই কর্মচারীর আচরণ ও গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হলে কাস্টমস কর্মকর্তারা তাদের থামিয়ে তল্লাশি করেন।

তল্লাশিকালে দুই কর্মীর জুতার ভেতর বিশেষ কায়দায় লুকিয়ে রাখা অবস্থায় ৮০টি সোনার বার উদ্ধার করা হয়। প্রতিটি বারের ওজন ছিল প্রায় ১১৭ গ্রাম করে এবং মোট সোনার পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ৩৪ কেজি। কাস্টমস কর্তৃপক্ষের হিসাব অনুযায়ী, উদ্ধারকৃত এই সোনার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ১৬ কোটি ২৫ লাখ টাকা। সোনাগুলো জব্দের পাশাপাশি দুই কর্মচারীকে তাৎক্ষণিক আটক করা হয়। তল্লাশির একপর্যায়ে দুই কর্মীর পরিহিত জুতার ভেতরে বিশেষ কৌশলে লুকানো অবস্থায় সোনার বারগুলো পাওয়া যায়।

এ ঘটনায় গত রোববার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত সার্কেলের সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা রুহানী ইসলাম বাদী হয়ে বিমানবন্দর থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে একটি মামলা দায়ের করেন। এই সোনার উৎস কী, কার নির্দেশে এবং কাদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্য এগুলো বহন করা হচ্ছিল, তা বের করতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। পাশাপাশি সোনা চোরাচালানের এ চক্রে অন্য কেউ জড়িত রয়েছে কি না, তা রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে জানার চেষ্টা করা হবে বলে জানিয়েছে তদন্তকারী সংস্থা। মামলার তদন্তে সোনাগুলো কোথা থেকে সংগ্রহ করা হয়েছিল, কার নির্দেশে বা কার কাছে এগুলো পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা ছিল এবং এই ঘটনায় আরও কেউ জড়িত কি না—এসব বিষয় খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
২০২৬ © আজকের বসুন্ধরা কর্তৃক সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
Theme Customization By NewsSun