যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে দেওয়া শর্তাবলি ও প্রতিশ্রুতি মেনে চললে ইরানের সঙ্গে কূটনৈতিক সমঝোতা কিংবা নতুন কোনো চুক্তিতে আসার পথ এখনও উন্মুক্ত রয়েছে। মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এক সাক্ষাৎকারে এমনটিই জানিয়েছেন। তিনি স্পষ্ট করেছেন যে, কেবল মুখে প্রতিশ্রুতি দিলেই হবে না, বরং ইরানকে বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। তবে এর জন্য তেহরানকে কেবল মৌখিক প্রতিশ্রুতিতে সীমাবদ্ধ না থেকে বাস্তব পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। আমাদের মূল নীতি খুব সহজ- আমরা আলোচনা করব, তবে তা কোনো ফাঁকা বুলি বা মুখের কথার ওপর ভিত্তি করে নয়, বরং তাদের বাস্তব কাজের ওপর ভিত্তি করে। সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে কট্টরপন্থি, রক্ষণশীল, সংস্কারপন্থি এবং ধর্মীয় আলেমদের পৃথক প্রভাব রয়েছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অবস্থান ব্যাখ্যা করে ভ্যান্স বলেন, ইরান যদি দায়িত্বশীল ও সঠিক আচরণ বজায় রাখে, তবেই দেশটির সঙ্গে নতুন করে চুক্তি করা সম্ভব। কূটনীতির মূল নীতি হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন, ইরানকে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে দেওয়া নিজেদের প্রতিশ্রুতিগুলো আগে রক্ষা করতে হবে। এই নীতি অনুসরণের মাধ্যমেই আগামী কয়েক মাসে ওয়াশিংটন ইরানের বিষয়ে কূটনৈতিক কার্যক্রম এগিয়ে নেবে বলে জানান তিনি।
একই সাক্ষাৎকারে ইরানের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও রাষ্ট্র পরিচালনার ধরন নিয়ে সমালোচনা করেন জেডি ভ্যান্স। তিনি দাবি করেন, বর্তমানে তেহরানের শাসনকাঠামো অত্যন্ত অস্পষ্ট ও বিভ্রান্তিকর। ইরানের নেতৃত্বের বিষয়ে এমন পর্যবেক্ষণ তুলে ধরার পাশাপাশি তিনি দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ক্ষেত্রে দেশটির দায়িত্বশীল আচরণের ওপরই সর্বোচ্চ গুরুত্বারোপ করেন।