মাগুরায় এক আবাসিক গ্রাহকের ২৩৫ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহারের বিপরীতে ৫০৬ কোটি ৮৩ লাখ ১১ হাজার ৫৯৩ টাকার অস্বাভাবিক বিল পাঠিয়েছে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি। সদর উপজেলার মঘি ইউনিয়নের কেচুয়াডুবি গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক শহীদুল ইসলামের স্ত্রী মোছা. আলেয়া খাতুনের নামে এই বিলটি ইস্যু করা হয়। অস্বাভাবিক এই বিল দেখে ভুক্তভোগী পরিবারটি হতবাক হয়ে পড়ে। বিল পরিশোধের শেষ তারিখ ছিল ২৯ সেপ্টেম্বর। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত বিলটি সংশোধন করে দেয় এবং গ্রাহক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রকৃত বিল পরিশোধ করেছেন।
ভুক্তভোগী গ্রাহক আলেয়া খাতুন জানান, বিল হাতে পাওয়ার পর বিষয়টি বিদ্যুৎ কার্যালয়ে জানালে তারা দ্রুত তা সংশোধন করে দেয়। সংশোধনের পর গত ৮ আগস্ট থেকে ৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ২৩৫ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহারের বিপরীতে প্রকৃত বিল দাঁড়ায় ১ হাজার ৯৬৩ টাকা। বিলম্ব মাশুলসহ এই অংক দাঁড়ায় ২ হাজার ৫৬ টাকা। গতকাল নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই তিনি ১ হাজার ৯৬৩ টাকার বিল পরিশোধ করেছেন।
পল্লী বিদ্যুতের আড়পাড়া আঞ্চলিক কার্যালয়ের উপমহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) মো. রেজাউল করিম ভুলের বিষয়টি স্বীকার করে জানিয়েছেন, গ্রাহকের মিটার পরিবর্তন হওয়ার সময় ভুলবশত মিটারের সিল নম্বরের ডিজিটগুলো ডিমান্ড চার্জের ঘরে বসানো হয়েছিল। এতেই এই বিশাল অংকের অস্বাভাবিক বিল তৈরি হয়। বিষয়টি গ্রাহক জানানোর পরপরই দ্রুত বিল সংশোধন করা হয়েছে এবং গ্রাহক প্রকৃত বিল পরিশোধ সম্পন্ন করেছেন।